ঢাকা | খ্রি.

প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার জিতলেন মেসি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 23, 2026 ইং | Photo Card
প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার জিতলেন মেসি ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদন

আর্জেন্টাইন ফুটবল মহাতারকা লিওনেল মেসির বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের অর্জনের তালিকায় যুক্ত হয়েছে আরও একটি সম্মান। ফুটবলে অসামান্য অবদান ও দীর্ঘদিনের সাফল্যের স্বীকৃতিস্বরূপ ২০২৬ সালের প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস ক্রীড়া পুরস্কার জিতেছেন আটবারের ব্যালন ডি’অরজয়ী এই তারকা।

প্রিন্সেস অব আস্তুরিয়াস অ্যাওয়ার্ড ফাউন্ডেশন এ পুরস্কারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছে। স্পেনভিত্তিক এই ফাউন্ডেশন প্রতিবছর খেলাধুলাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে অসামান্য অবদান রাখা ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে সম্মানিত করে।

১৯৮৭ সালের ২৪ জুন আর্জেন্টিনার রোজারিও শহরে জন্ম মেসির। মাত্র ১৩ বছর বয়সে তিনি স্পেনের এফসি বার্সেলোনার বিখ্যাত লা মাসিয়া একাডেমিতে যোগ দেন। ২০০৪ সালে বার্সেলোনার মূল দলে অভিষেকের পর শুরু হয় তাঁর বর্ণাঢ্য পেশাদার ফুটবলযাত্রা। ক্লাবটির হয়ে দীর্ঘ সময় সাফল্যের সঙ্গে খেলার পর তিনি ফরাসি ক্লাব প্যারিস সেন্ট জার্মেইনে (পিএসজি) যোগ দেন। পরবর্তী সময়ে পাড়ি জমান যুক্তরাষ্ট্রের মেজর লিগ সকারের ক্লাব ইন্টার মায়ামিতে।

ক্লাব ও জাতীয় দলের হয়ে মেসির অর্জনের তালিকা অত্যন্ত সমৃদ্ধ। তাঁর ক্যারিয়ারে রয়েছে অসংখ্য দলীয় শিরোপা ও ব্যক্তিগত স্বীকৃতি। বার্সেলোনার হয়ে ২০০৫ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে তিনি জিতেছেন ৩৫টি ট্রফি। এর মধ্যে রয়েছে চারটি উয়েফা চ্যাম্পিয়ন্স লিগ ও ১০টি লা লিগা শিরোপা। আর্জেন্টিনা জাতীয় দলের হয়ে ২০২২ সালের ফিফা বিশ্বকাপ এবং দুটি কোপা আমেরিকা শিরোপা জয়ের কৃতিত্বও রয়েছে তাঁর।

ব্যক্তিগত অর্জনেও ফুটবল ইতিহাসে অনন্য অবস্থানে রয়েছেন মেসি। রেকর্ড আটবার ব্যালন ডি’অর জয়ের পাশাপাশি তিনি তিনবার দ্য বেস্ট ফিফা মেনস প্লেয়ার অ্যাওয়ার্ড এবং ছয়বার ইউরোপিয়ান গোল্ডেন শু জিতেছেন। ২০১২ সালে এক পঞ্জিকাবর্ষে ৯১টি গোল করে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডেও নিজের নাম লেখান এই আর্জেন্টাইন ফরোয়ার্ড।

২০২০ ও ২০২৩ সালে লরিয়াস ওয়ার্ল্ড স্পোর্টসম্যান অব দ্য ইয়ার পুরস্কার জয়ের মধ্য দিয়ে আরেকটি ইতিহাস গড়েন মেসি। পুরস্কারটির ইতিহাসে প্রথম পুরুষ ফুটবলার হিসেবে এককভাবে এ সম্মান অর্জনের কৃতিত্ব তাঁর।

ফুটবল মাঠের বাইরেও মানবিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত মেসি। তাঁর প্রতিষ্ঠিত লিও মেসি ফাউন্ডেশনের মাধ্যমে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করার বিভিন্ন উদ্যোগে সহায়তা করা হয়। পাশাপাশি ২০১০ সাল থেকে জাতিসংঘের শিশু তহবিল ইউনিসেফের শুভেচ্ছাদূত হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তিনি।

দীর্ঘদিনের ধারাবাহিক সাফল্য, আন্তর্জাতিক ফুটবলে অবদান এবং মাঠের বাইরের মানবিক কর্মকাণ্ড—সব মিলিয়ে মেসির অর্জনের মুকুটে নতুন এই সম্মান তাঁর বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারে আরেকটি উল্লেখযোগ্য সংযোজন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম, মিলেছে ভ

দিল্লিতে বাংলাদেশের নতুন হাইকমিশনার আসাদ আলম সিয়াম, মিলেছে ভ