সোমবার (১২ অক্টোবর) গভীর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, তাঁর রাজনৈতিক সমালোচক ও বিরোধীরা অভিযোগ করছেন, চীন ও রাশিয়া ইরানকে সহায়তা করছে। তবে এ অভিযোগের বিষয়ে সংশয় প্রকাশ করেন তিনি।
ট্রাম্পের ভাষ্য, “যদি তারা সাহায্য করে থাকে, তবে তা অত্যন্ত সামান্য। তবে আমি তা মোটেও বিশ্বাস করি না। কারণ তাদের হারানোর মতো অনেক কিছু আছে। তারা যদি সত্যিই সহায়তা করত, তবে আমরা তা দ্রুত জেনে যেতাম।”
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে ট্রাম্পের এ বক্তব্য সামনে এসেছে। এর আগেও তিনি দাবি করেছিলেন, ইরান পরিস্থিতিতে চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিনপিং এবং রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন নিরপেক্ষ অবস্থান বজায় রাখছেন। গত মাসে শি চিনপিংয়ের যুক্তরাষ্ট্র সফরের সময় চীন ইরানকে কোনো সহায়তা করবে না বলে আশ্বাস দিয়েছিল বলেও জানিয়েছিলেন যুক্তরাষ্ট্রের তৎকালীন কর্মকর্তারা।
তবে দীর্ঘদিন ধরেই তেহরানের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বজায় রেখেছে মস্কো ও বেইজিং। ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক পদক্ষেপের সমালোচনা করে চীন একে দেশটির সার্বভৌমত্বের ওপর আঘাত হিসেবে উল্লেখ করেছে।
এদিকে, বিভিন্ন প্রতিবেদনে দাবি করা হয়েছিল, চীনের সহায়তায় ইরান আন্তর্জাতিক নিষেধাজ্ঞা এড়িয়ে তেল বিক্রি করছে এবং মার্কিন সামরিক ঘাঁটিগুলোর স্যাটেলাইট তথ্য ব্যবহার করছে। তবে এসব প্রতিবেদন আগেও নাকচ করেছেন ট্রাম্প।
নিউজ বাংলা চ্যানেল