চাকরি পাওয়া শহীদ পরিবারের সদস্যদের মধ্যে রয়েছেন—শহীদ মো. সোহাগের স্ত্রী সাবিনা আক্তার রিমা, শহীদ মো. শাহরিয়ারের স্ত্রী রাজিয়া খাতুন, শহীদ মো. আব্দুল্লাহ কবিরের স্ত্রী আফসানা আক্তার, শহীদ মো. মোস্তফা কামাল রাজুর স্ত্রী আকলিমা আক্তার, শহীদ মো. জুয়েলের স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার সুবর্ণা, শহীদ মিরাজের বোন সামিয়া ইসলাম পপি, শহীদ আহসান কবিরের স্ত্রী হাফিজা আক্তার হ্যাপি এবং শহীদ ওমর নুরুল আবছারের স্ত্রী ফারজানা আক্তার রাণী।
এ ছাড়া গুরুতর আহত মো. আব্দুল মতিনের স্ত্রী সাবানা আক্তার এবং গুরুতর আহত মো. জুলফিকার আলমের স্ত্রী মোছা. আরজু আক্তারও চাকরির নিয়োগপত্র পেয়েছেন।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানসহ বিভিন্ন সময়ে দেশের মানুষের আত্মত্যাগের পেছনে একটি উন্নত বাংলাদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্য ছিল। তিনি বলেন, অনুষ্ঠানে উপস্থিত ব্যক্তিদের কেউ সরাসরি জুলাইয়ের আন্দোলনে অংশ নিয়েছেন, আবার কারও স্বজন ওই আন্দোলনে যুক্ত ছিলেন।
প্রধানমন্ত্রীর ভাষ্য, তাদের নিজেদের এবং স্বজনদের আত্মত্যাগের কারণেই আজ বাংলাদেশের মানুষ একটি মুক্ত পরিবেশে বসবাস করতে পারছে।
আত্মত্যাগকারীদের পরিবারের পাশে দাঁড়ানো রাষ্ট্রের দায়িত্ব উল্লেখ করে তিনি বলেন, তাদের ত্যাগের মর্যাদা রক্ষা করতে হবে। একই সঙ্গে পরিবারের সদস্যদের ভবিষ্যৎ নিশ্চিত করার জন্য প্রয়োজনীয় সহযোগিতা অব্যাহত রাখার কথাও জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন এবং ‘আমরা বিএনপি পরিবারের’ সদস্যসচিব কৃষিবিদ মোকছেদুল মোমিন মিথুন উপস্থিত ছিলেন।
এ সময় সম্প্রতি চাকরিতে যোগ দেওয়া শহীদ আব্দুল্লাহ বীন জাহিদের মা ফাতেমা তুজ জোহরা এবং আহত জুলাই যোদ্ধা সোহেলি তামান্না প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। নিয়োগপত্র পাওয়ার পর শহীদ পরিবারের সদস্য ও আহত জুলাই যোদ্ধারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল