ঢাকা | খ্রি.

১৯ দিনে ১২২ মিলিয়ন ডলার বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Nov 4, 2026 ইং | Photo Card
১৯ দিনে ১২২ মিলিয়ন ডলার বাড়ল বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে ইতিবাচক প্রবৃদ্ধি দেখা দিয়েছে। বাংলাদেশ ব্যাংকের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, গত ৩ নভেম্বর দেশের মোট বা গ্রস বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩৬ দশমিক ৪৩ বিলিয়ন ডলারে। একই সময়ে আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩১ দশমিক ৫৬ বিলিয়ন ডলার।

বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য জানিয়েছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ অক্টোবর দেশের গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৬ হাজার ৩০৮ দশমিক ২৬ মিলিয়ন ডলার। ৩ নভেম্বর তা বেড়ে দাঁড়ায় ৩৬ হাজার ৪৩০ দশমিক ৭০ মিলিয়ন ডলারে। অর্থাৎ মাত্র ১৯ দিনের ব্যবধানে দেশের মোট রিজার্ভ বেড়েছে ১২২ দশমিক ৪৪ মিলিয়ন ডলার।

অন্যদিকে, আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতিতে হিসাব করা রিজার্ভও বেড়েছে। ১৫ অক্টোবর এ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ৩১ হাজার ৫০১ দশমিক ৫৮ মিলিয়ন ডলার। ৩ নভেম্বর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৩১ হাজার ৫৬২ দশমিক ৭৩ মিলিয়ন ডলারে। এ হিসাবে ১৯ দিনে রিজার্ভ বেড়েছে ৬১ দশমিক ১৫ মিলিয়ন ডলার।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভের এ ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতা দেশের সামগ্রিক অর্থনীতির জন্য ইতিবাচক বার্তা বহন করছে। বিশেষ করে আমদানি ব্যয় মেটানো, বৈদেশিক লেনদেনের সক্ষমতা বজায় রাখা এবং আন্তর্জাতিক পরিশোধের ক্ষেত্রে রিজার্ভের পরিমাণ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

উল্লেখ্য, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ পরিমাপের ক্ষেত্রে গ্রস রিজার্ভের পাশাপাশি আইএমএফের বিপিএম৬ পদ্ধতির হিসাবও গুরুত্বপূর্ণ। গ্রস রিজার্ভে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের মোট বৈদেশিক সম্পদের হিসাব অন্তর্ভুক্ত থাকে। অন্যদিকে, বিপিএম৬ পদ্ধতিতে বিভিন্ন দায় ও সমন্বয়যোগ্য উপাদান বাদ দিয়ে ব্যবহারযোগ্য রিজার্ভের হিসাব করা হয়। এ কারণে এ দুই পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণে পার্থক্য থাকে।

অর্থনীতিবিদদের মতে, রিজার্ভের সাময়িক বৃদ্ধি ইতিবাচক হলেও দীর্ঘমেয়াদে এ অবস্থান ধরে রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ। এজন্য রপ্তানি আয় বাড়ানো, প্রবাসী আয় বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেলে দেশে আনা, বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করা এবং আমদানি ব্যয়ের সঙ্গে বৈদেশিক আয়ের ভারসাম্য বজায় রাখার ওপর গুরুত্ব দিতে হবে। একই সঙ্গে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করাও জরুরি।

সার্বিকভাবে, দেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে সাম্প্রতিক বৃদ্ধি অর্থনীতির জন্য স্বস্তির ইঙ্গিত দিলেও এ প্রবৃদ্ধি টেকসই করতে উৎপাদন, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় বৃদ্ধির বিকল্প নেই।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ইনার সার্কুলার রিং রোডের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন

ইনার সার্কুলার রিং রোডের কাজ দ্রুত শেষ করার নির্দেশ প্রধানমন