তবে আগামী ২১ অক্টোবর থেকে দাম্মাম রুটে ফ্লাইট চালু করার পরিকল্পনা করছে রাষ্ট্রীয় পতাকাবাহী সংস্থাটি। এ জন্য দাম্মাম বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমোদন প্রয়োজন। অনুমতি পাওয়া এবং সার্বিক পরিস্থিতি পর্যালোচনার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
শনিবার বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, রিয়াদ বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের পরবর্তী নির্দেশনা পাওয়ার পর ওই রুটে ফ্লাইট পরিচালনার বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। এ-সংক্রান্ত তথ্য যাত্রীদের যথাসময়ে জানানো হবে।
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) সহকারী পরিচালক কাউসার মাহমুদের তথ্য অনুযায়ী, সৌদি আরবের বিমানবন্দরগুলোর পরিচালনাগত বিধিনিষেধে সরাসরি ফ্লাইটের মধ্যে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনসের ১৮টি, ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের ১০টি, সৌদিয়া এয়ারলাইনসের ১২টি এবং রিয়াদ এয়ারের ১০টি ফ্লাইট ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এ ছাড়া বাতিল হওয়া ট্রানজিট ফ্লাইটের তালিকায় রয়েছে ইন্ডিগোর ২২টি, এমিরেটসের ১৪টি, কাতার এয়ারওয়েজের ৯টি, সালাম এয়ারের সাতটি, ফ্লাই দুবাইয়ের ছয়টি, এয়ার ইন্ডিয়ার পাঁচটি এবং ইজিপ্ট এয়ারের একটি ফ্লাইট।
বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস জানিয়েছে, সৌদি আরবের জেদ্দা ও মদিনা রুটে ফ্লাইট চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। জরুরি প্রয়োজনে যাত্রীরা এই দুই বিমানবন্দর ব্যবহার করে সৌদি আরবে যাতায়াত করতে পারবেন।
যাত্রীদের চাহিদার কথা মাথায় রেখে মদিনা রুটে বেশি যাত্রী বহনে সক্ষম উড়োজাহাজ ব্যবহার করা হচ্ছে। এ ব্যবস্থা ১৮ অক্টোবর পর্যন্ত বহাল থাকবে। ১৯ অক্টোবর থেকে এ রুটে আবার আগের মতো বোয়িং ৭৮৭ উড়োজাহাজ পরিচালনা করা হবে। একই সঙ্গে জেদ্দা রুটে অতিরিক্ত ফ্লাইট চালানোর ব্যবস্থাও নিচ্ছে বিমান।
দাম্মাম রুটে ফ্লাইট পুনরায় চালুর পরিকল্পনা থাকলেও তা নির্ভর করছে সংশ্লিষ্ট বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষের অনুমতি ও তৎকালীন পরিস্থিতির ওপর। এ দুটি বিষয় বিবেচনা করেই চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানাবে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস।
নিউজ বাংলা চ্যানেল