পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সাহেল মিয়া তাঁর বন্ধু তারেককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যার কথা স্বীকার করেছেন বলে জানা গেছে। তিনি জানান, আইফোনটি নেওয়ার উদ্দেশ্যে গত বৃহস্পতিবার (২২ অক্টোবর) রাতে ঘুমন্ত তারেককে দা দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করেন। পরে তারেকের ব্যবহৃত আইফোনটি নিয়ে বিক্রি করে দেন তিনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, নিহত তারেক আহমেদ নবীগঞ্জ উপজেলার সদর ইউনিয়নের চৌশতপুর গ্রামের মহব্বত উল্লার ছেলে। একই গ্রামের নুরুজ্জামানের ছেলে সাহেল মিয়ার সঙ্গে তাঁর বাল্যবন্ধুত্ব ছিল। কয়েক দিন আগে তাঁরা দুজনই লাখাই উপজেলার ফুলবাড়ী গ্রামে একটি ভবন নির্মাণের শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে যান।
পুলিশ জানিয়েছে, সাহেলের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী ফুলবাড়ী গ্রামের একটি ডোবায় তারেকের মরদেহ লুকিয়ে রাখা হয়েছিল। পরে সেখান থেকেই মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় সাহেল মিয়াকে আটক করেছে পুলিশ।
নিউজ বাংলা চ্যানেল