ঘটনার সূত্রপাত গত ২০ আগস্ট। সিঙ্গাপুরের সবচেয়ে বড় পান্ডান জলাধারে কুমির দেখা গেছে—এমন একটি বার্তা ছড়িয়ে পড়ার পর জাতীয় পানি সংস্থা জননিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে সেখানে রোয়িং ও ক্যানু ফেডারেশনের সব কার্যক্রম দুই দিনের জন্য বন্ধ রাখে।
কুমিরের সন্ধানে কর্মকর্তা ও বন্যপ্রাণী বিশেষজ্ঞরা পুরো জলাধার এলাকা তল্লাশি চালান। পরে নিশ্চিত হওয়া যায়, কুমিরের যে ছবি ছড়িয়ে পড়েছিল সেটি আসলে ভুয়া। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হলে তদন্তে ইয়ে লিনের নাম সামনে আসে।
পুলিশের অভিযোগ অনুযায়ী, ইয়ে লিন এআই প্রযুক্তির সাহায্যে কুমিরের ছবিটি তৈরি করে তার এক সহকর্মীর কাছে পাঠিয়েছিলেন। পরবর্তীতে নিজের সম্পৃক্ততার প্রমাণ গোপন করতে তিনি ওই ছবি এবং ছবি তৈরিতে ব্যবহৃত মোবাইল অ্যাপ্লিকেশনটি মুছে ফেলেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
স্থানীয় গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অভিযুক্ত ইয়ে লিন আদালতে নিজের অপরাধ স্বীকার করার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন। সিঙ্গাপুরের আইনে মিথ্যা তথ্য ছড়ানোর অপরাধে সর্বোচ্চ তিন বছরের কারাদণ্ড ও ১০ হাজার সিঙ্গাপুর ডলার জরিমানা হতে পারে।
এ ছাড়া বিচারপ্রক্রিয়ায় বাধা দেওয়ার অভিযোগ প্রমাণিত হলে অতিরিক্ত সাত বছর পর্যন্ত কারাদণ্ডের বিধান রয়েছে। আগামী নভেম্বরে আদালত মামলাটির চূড়ান্ত রায় ঘোষণা করবেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল