বার্তা সংস্থা রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ, উচ্চশিক্ষার ব্যয়, আর্থিক সহায়তা এবং পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরি পাওয়ার সুযোগ নিয়ে ক্ষোভ থেকে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভের কয়েকজন অংশগ্রহণকারী জানিয়েছেন, সমাজে বিদ্যমান বৈষম্য এবং সরকারের প্রতি অসন্তোষ প্রকাশ করতেও তাঁরা রাস্তায় এসেছেন।
বিক্ষোভকারী লুলজেতা কোলা বলেন, ‘আলবেনিয়ার এখন বিপ্লব দরকার। পরিবর্তন দরকার। পুরো ব্যবস্থার আমূল পরিবর্তন দরকার। কারণ, এভাবে আর চলতে পারে না।’ তিনি আরও বলেন, দেশটিতে সামাজিক অবিচার গভীর এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান অনেক বেশি।
এদিকে, বিক্ষোভে সহিংসতার নিন্দা জানিয়েছেন আলবেনিয়ার উপপ্রধানমন্ত্রী আলবানা কোচিউ। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি বলেন, ‘সহিংসতা কখনো সমাধান ছিল না, এখনো নয়, ভবিষ্যতেও হবে না।’
তিনি আরও বলেন, পাথর নিক্ষেপ, বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে হামলা, পুলিশের ওপর আক্রমণ কিংবা সরকারি সম্পদ ধ্বংসের মাধ্যমে তরুণদের ক্ষোভ প্রকাশ করা উচিত নয়।
আলবেনিয়ায় শিক্ষার্থীদের এই আন্দোলন এমন এক সময়ে হলো, যখন ইউরোপের অন্য দেশগুলোতেও শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ করছেন। ফ্রান্সে কয়েক সপ্তাহ ধরে মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছেন। তাঁরা বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশপথ বন্ধ করে শিক্ষক নিয়োগ বাড়ানো এবং বিদ্যালয়ের সুযোগ-সুবিধা উন্নত করার দাবি তুলেছেন।
ফ্রান্সের আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিদ্যালয়ের ভবনগুলোর অবস্থা ক্রমেই খারাপ হচ্ছে এবং শ্রেণিকক্ষে শিক্ষার্থীদের অতিরিক্ত ভিড় রয়েছে। তাঁদের মতে, এসব সমস্যার কারণে শিক্ষাব্যবস্থা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল