সরকারি কর্মকর্তারা জানান, আর কয়েক দিন পর সাধারণ গ্রাহকরা যে বিল পাবেন সেখানে বাড়তি বিল যোগ হয়ে যাবে। বিইআরসির চেয়ারম্যান জালাল আহমেদ যুগান্তরকে এ ব্যাপারে কিছু বলতে রাজি হননি। তিনি বলেন, কমিশনের প্রক্রিয়া অনুযায়ী গণশুনানি এবং অন্যান্য কার্যক্রম শেষ করা হয়েছে।
জানা গেছে, একেবারে স্বল্প আয়ের মানুষ বা শূন্য থেকে ৫০ এবং শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট (লাইফ লাইন) পর্যন্ত বিদ্যুৎ ব্যবহারকারীসহ সব ধরনের গ্রাহকের বিদ্যুতের দাম বাড়ানো হচ্ছে। তবে লাইফ লাইন গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর (স্ল্যাব) আগের মতোই থাকছে। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড-পিডিবি শূন্য থেকে ৭৫ ইউনিট পর্যন্ত গ্রাহকের বিদ্যুৎ বিলের স্তর না রাখার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল বিইআরসিতে।
সরকারি কর্মকর্তারা জানান, বিদ্যুতের দাম ১৮ থেকে ১৯ শতাংশ পর্যন্ত বাড়ালে পিডিবির রাজস্ব বাড়বে ১২ হাজার কোটি টাকা। গত মাসে পিডিবির প্রস্তাবে বলা হয়েছে বেশি দামে বিদ্যুৎ কিনে কম দামে বিক্রির কারণে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে পিডিবির লোকসান হবে ৬৫ হাজার কোটি টাকা। বাকি টাকা এবারের বাজেটে বরাদ্দ রাখতে অনুরোধ করবে বিদ্যুৎ বিভাগ।
নিউজ বাংলা চ্যানেল