রাজ্যটির নির্বাহী আদেশ অনুযায়ী, চলতি বছরের ৩ অক্টোবর পর্যন্ত নিউইয়র্কে ১০৮ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এর মধ্যে গত ১৫ জুলাই থেকে ১৮টি গ্রামীণ কাউন্টিতে আক্রান্ত হয়েছেন ৯২ জন। স্বাভাবিক বার্ষিক সংক্রমণের তুলনায় এই সংখ্যা অনেক বেশি।
আক্রান্তদের মধ্যে সাতজন নিউইয়র্ক সিটির বাসিন্দা। বাকি ১০১ জন রাজ্যের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকার বাসিন্দা। বিশেষ করে কম টিকাপ্রাপ্ত এলাকাগুলোতে সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। পরিস্থিতি মোকাবিলায় ১৫ জুলাইয়ের পর থেকে গ্রামীণ অঞ্চলগুলোর স্থানীয় স্বাস্থ্য বিভাগগুলো ১ হাজারের বেশি টিকার ডোজ বিতরণ করেছে।
নিউইয়র্কের প্রতিবেশী অঙ্গরাজ্য পেনসিলভেনিয়াতেও হামের পরিস্থিতি গুরুতর হয়ে উঠেছে। ২ অক্টোবর পর্যন্ত সেখানে অন্তত ৯৭৭ জন আক্রান্ত এবং পাঁচজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে। আক্রান্তদের বড় একটি অংশ নিউইয়র্ক সীমান্তবর্তী এলাকার বাসিন্দা। পেনসিলভেনিয়ার স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, মোট আক্রান্তের সংখ্যা ১ হাজার ছাড়িয়েছে, যা গত ৩০ বছরের মধ্যে রাজ্যটিতে সবচেয়ে বড় হামের প্রাদুর্ভাব।
নতুন নির্বাহী আদেশের আওতায় নিউইয়র্কে নিবন্ধিত নার্সরা এখন সন্দেহভাজন রোগীদের সরাসরি পরীক্ষার নির্দেশ দিতে পারবেন। পাশাপাশি ফার্মাসিস্টরা দুই বছর বয়সী শিশুদেরও হাম প্রতিরোধের টিকা দিতে পারবেন। টিকা দেওয়ার সব তথ্য ৭২ ঘণ্টার মধ্যে সরকারি রেজিস্ট্রিতে জমা দেওয়ার নির্দেশও দেওয়া হয়েছে।
যুক্তরাষ্ট্রের রোগ নিয়ন্ত্রণ ও প্রতিরোধ কেন্দ্র (সিডিসি) জানিয়েছে, দেশটিতে প্রায় ৩ হাজার ৯০০ জন হামে আক্রান্ত হয়েছেন। ১৯৯১ সালের পর এটিই যুক্তরাষ্ট্রে সবচেয়ে বড় হামের প্রাদুর্ভাব।
সোমবার (৫ অক্টোবর) থেকে নিউইয়র্কে কার্যকর হওয়া এই জরুরি অবস্থা আগামী ৪ নভেম্বর পর্যন্ত বহাল থাকবে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল