ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্য পারভিন বেগম অভিযোগ করে বলেন, বুধবার সকালে খায়ের চেয়ারম্যানের স্ত্রী, বোন শেফালী (মেম্বার), বাবুল, বেগমসহ আরও কয়েকজন তাদের বাড়িতে এসে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য হুমকি দেন। একপর্যায়ে উভয় পক্ষের মধ্যে কথাকাটির সৃষ্টি হলে প্রতিপক্ষ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়।
তিনি আরও বলেন, হামলায় পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত হন। পরে স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে নড়াইল জেলা হাসপাতালে নিয়ে যান। বর্তমানে তারা সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এ ঘটনায় এলাকায় নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে। তারা দ্রুত ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন।
অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে অভিযুক্ত শেফালী মেম্বার হামলার বিষয়টি অস্বীকার করেন। তিনি বলেন, “আমি এ ঘটনা সম্পর্কে কিছুই জানি না। আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে, তা সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এদিকে, ঘটনার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে বলে জানা গেছে। নড়াইল সদর থানা পুলিশের পরিদর্শক অজয় কুমার বলেন, “আমরা ঘটনাটি সম্পর্কে অবগত হয়েছি। অভিযোগ খতিয়ে দেখে তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে এলাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে। স্থানীয়দের দাবি, আলোচিত বড়কুলা ৩ হত্যা মামলার পর থেকেই এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করছে। তাই দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া না হলে পরিস্থিতি আরও অবনতি হতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন তারা।
নিউজ বাংলা চ্যানেল