ঢাকা | খ্রি.

আজ শুরু সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 5, 2026 ইং | Photo Card
আজ শুরু সরকারি চাকরিজীবীদের নতুন পে স্কেলে বেতন পুনর্নির্ধারণ ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728
নিউজ বাংলা ডেস্ক : নতুন জাতীয় বেতনকাঠামো কার্যকরের প্রস্তুতি হিসেবে সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন পুনর্নির্ধারণের (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম আজ সোমবার থেকে শুরু হচ্ছে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ ৫ থেকে ২০ অক্টোবরের মধ্যে এই প্রক্রিয়া শেষ করার নির্দেশ দিয়েছে। সংশ্লিষ্ট সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, পে ফিক্সেশন সম্পন্ন হলে নতুন বেতনের পাশাপাশি প্রায় তিন মাসের বকেয়া অর্থও একসঙ্গে পাওয়ার সুযোগ থাকবে সরকারি চাকরিজীবীদের।

অর্থ বিভাগ ও সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, নতুন কাঠামো অনুযায়ী প্রত্যেক কর্মকর্তা-কর্মচারীর মূল বেতন আইবাস প্লাস প্লাসের বিশেষ পে ফিক্সেশন মডিউলের মাধ্যমে পুনর্নির্ধারণ করা হবে। এজন্য অনলাইনে জাতীয় পরিচয়পত্র, জন্মতারিখ, বর্তমান পদ ও গ্রেড, চাকরিতে যোগদানের তারিখ এবং ৩০ জুন ২০২৬ তারিখে পাওয়া মূল বেতনসহ প্রয়োজনীয় তথ্য দিতে হবে। একই সঙ্গে আগের বেতন নির্ধারণ, পদোন্নতি ও উচ্চতর গ্রেডসংক্রান্ত তথ্যও যাচাই করা হবে।

কর্মকর্তারা জানান, নতুন ও পুরনো মূল বেতনের পার্থক্য এবং নতুন বেতন কার্যকরের সময় বিবেচনায় নিয়ে প্রত্যেকের বকেয়া নির্ধারণ করা হবে। এ কারণে সব চাকরিজীবীর বকেয়ার পরিমাণ এক হবে না। গ্রেড, বর্তমান মূল বেতন, পদোন্নতি এবং উচ্চতর গ্রেড পাওয়ার ইতিহাসের ওপর নির্ভর করে বকেয়ার অঙ্কে পার্থক্য থাকবে।

গত ১৯ সেপ্টেম্বর ১১ বছর পর নতুন জাতীয় বেতনকাঠামোর প্রজ্ঞাপন জারি করে সরকার। এতে সর্বনিম্ন মূল বেতন ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ মূল বেতন এক লাখ ৫৬ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে নতুন কাঠামোর পুরো সুবিধা একবারে কার্যকর না করে দুই অর্থবছরে ধাপে ধাপে বাস্তবায়নের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

অর্থ বিভাগ সূত্র জানিয়েছে, নতুন বেতনকাঠামোর প্রথম দুই ধাপ বাস্তবায়নের জন্য চলতি অর্থবছরে প্রায় ৩৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে। সরকারের হিসাবে, এই কাঠামো বাস্তবায়নের ফলে অতিরিক্ত ব্যয়ের বড় অংশ আগামী দুই অর্থবছরে বহন করতে হবে।

তবে বেতন পুনর্নির্ধারণের ক্ষেত্রে কিছু জটিলতাও দেখা দিয়েছে। আগের বেতনকাঠামোয় টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড কিংবা একাধিক উচ্চতর গ্রেড পাওয়া কর্মচারীদের নতুন বেতন নির্ধারণে কারিগরি ও প্রশাসনিক বিভিন্ন প্রশ্ন তৈরি হয়েছে। এসব বিষয় পর্যালোচনা করে সমাধানের চেষ্টা করছে অর্থ বিভাগ।

সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানান, চাকরিজীবীরা অনলাইনে তথ্য দেওয়ার পর হিসাবরক্ষণ কার্যালয় সেগুলো যাচাই করবে। তথ্য ও নথির মধ্যে কোনো অসামঞ্জস্য পাওয়া গেলে তা সংশোধনের সুযোগ থাকবে। এ কারণে নাম, জাতীয় পরিচয়পত্র নম্বর, জন্মতারিখ, পদবি, গ্রেড এবং বেতনসংক্রান্ত তথ্য সতর্কতার সঙ্গে যাচাই করে দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

পে ফিক্সেশন চূড়ান্ত হওয়ার পর নতুন মূল বেতনের ভিত্তিতে বেতন বিল প্রস্তুত করা হবে। পাশাপাশি জুলাই থেকে প্রাপ্য বকেয়া অর্থের হিসাবও নির্ধারণ করা হবে। এর ফলে চলতি মাসেই সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নতুন বেতনের প্রথম সুবিধার সঙ্গে কয়েক মাসের বকেয়াও পাওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমি

ভোটের দিন প্রার্থী ও নির্বাচনি এজেন্টের যানবাহন ব্যবহারে কমি