নিজেস্ব প্রতিবেদক: শরীরের ওজন বা বিএমআইয়ের পাশাপাশি কোমরের মাপও হৃদরোগের ঝুঁকি বোঝার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। সম্প্রতি প্রকাশিত এক গবেষণায় দেখা গেছে, কোমরের মাপ বেশি হলে হৃদরোগ এবং অকালমৃত্যুর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
ক্রস কোহার্ট কোলাবরেশনের গবেষকরা ১৫টি দীর্ঘমেয়াদি গবেষণায় অংশ নেওয়া প্রায় ২ লাখ ৬০ হাজার মানুষকে প্রায় ২০ বছর ধরে পর্যবেক্ষণ করেছেন। Journal of the American College of Cardiology-তে প্রকাশিত গবেষণায় দেখা যায়, বিএমআই অনুযায়ী স্বাভাবিক ওজন বা অতিরিক্ত ওজনের শ্রেণিতে থাকা কিছু মানুষের শরীরে, বিশেষ করে পেটে, উল্লেখযোগ্য পরিমাণ চর্বি জমা ছিল।
শুধু বিএমআই দিয়ে ঝুঁকি বোঝা যায় না
বিশেষজ্ঞদের মতে, বিএমআই মূলত একজন মানুষের ওজন ও উচ্চতার সম্পর্ক নির্দেশ করে। কিন্তু শরীরের কোথায় চর্বি জমছে, তা বিএমআই দিয়ে বোঝা যায় না। বিশেষ করে পেটের ভেতরে জমা চর্বি এবং বিভিন্ন অঙ্গে অতিরিক্ত চর্বি শরীরের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হতে পারে। এসব চর্বি প্রদাহ, রক্ত সঞ্চালন এবং রক্তনালীর স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে।
গবেষকদের মতে, তাই শুধু বিএমআইয়ের ওপর নির্ভর না করে শরীরে চর্বির পরিমাণ ও বণ্টন বিবেচনা করাও জরুরি। এতে হৃদরোগের ঝুঁকি সম্পর্কে আরও পরিষ্কার ধারণা পাওয়া যেতে পারে।
স্বাভাবিক বিএমআই হলেও ঝুঁকি থাকতে পারে
গবেষণায় অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে হার্ট অ্যাটাক, হার্ট ফেইলিওর ও স্ট্রোকের মতো বিভিন্ন হৃদ্রোগের ঘটনা পর্যবেক্ষণ করা হয়েছে। গবেষণার ফলাফলে দেখা যায়, স্বাভাবিক বিএমআই থাকা ব্যক্তিদের মধ্যেও পেটে অতিরিক্ত চর্বি থাকলে হৃদরোগের ঝুঁকি থাকতে পারে।
গবেষণার সীমাবদ্ধতা
গবেষণাটির কিছু সীমাবদ্ধতাও রয়েছে। অংশগ্রহণকারীদের শারীরিক কার্যকলাপ, খাদ্যাভ্যাস এবং জিনগত কারণে স্থূলতার ঝুঁকি সম্পর্কে পর্যাপ্ত পরিপূরক তথ্য পাওয়া যায়নি। এ ছাড়া তাদের কোমরের মাপ এবং কোমর-নিতম্বের অনুপাত মাত্র একবার পরিমাপ করা হয়েছিল।
ফলে সময়ের সঙ্গে পেটের চর্বির পরিবর্তন কীভাবে হৃদরোগের ঝুঁকিকে প্রভাবিত করে, তা এই গবেষণা থেকে পুরোপুরি নিশ্চিতভাবে বলা সম্ভব নয়।
তবে গবেষণাটি ইঙ্গিত দেয় যে, হৃদরোগের ঝুঁকি মূল্যায়নে শুধু ওজন বা বিএমআই নয়, কোম
নিউজ বাংলা চ্যানেল