ঢাকা | খ্রি.

রেমিট্যান্সের উৎসে বদল: যুক্তরাজ্যে উল্লম্ফন, মালয়েশিয়ায় বড় পতন

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 1, 2026 ইং | Photo Card
রেমিট্যান্সের উৎসে বদল: যুক্তরাজ্যে উল্লম্ফন, মালয়েশিয়ায় বড় পতন ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিউজ বাংলা ডেস্ক: বাংলাদেশের রেমিট্যান্স প্রবাহে সামগ্রিকভাবে ইতিবাচক ধারা থাকলেও কোন দেশ থেকে কত অর্থ আসছে, সেই চিত্রে উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন দেখা যাচ্ছে। মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলো এখনো প্রবাসী আয়ের প্রধান উৎস হলেও ইউরোপের কয়েকটি বাজার থেকে রেমিট্যান্স দ্রুত বাড়ছে। সবচেয়ে বড় পরিবর্তনগুলোর একটি দেখা গেছে যুক্তরাজ্যে। এক বছরের ব্যবধানে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৫৫ শতাংশের বেশি।

অন্যদিকে এশিয়ার গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার মালয়েশিয়া থেকে প্রবাসী আয় কমেছে প্রায় ২৩ শতাংশ। একই সময়ে বাহরাইন ও জাপান থেকেও বার্ষিক হিসাবে রেমিট্যান্স কমেছে। বিপরীতে সংযুক্ত আরব আমিরাত, সিঙ্গাপুর, ইতালি, কাতার, কুয়েত ও অস্ট্রেলিয়া থেকে প্রবাহ বেড়েছে।

এক প্রান্তিকে এসেছে ৯৩৮ কোটি ডলার

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের এপ্রিল-জুন সময়ে দেশে মোট ৯৩৮ কোটি ৪৯ লাখ ৩০ হাজার ডলার রেমিট্যান্স এসেছে। এর আগের জানুয়ারি-মার্চ প্রান্তিকে এসেছিল ৯৯৪ কোটি ৩২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। অর্থাৎ তিন মাসের ব্যবধানে প্রবাহ কমেছে ৫ দশমিক ৬২ শতাংশ।

তবে এক বছর আগের একই সময়ের তুলনায় পরিস্থিতি ভিন্ন। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের এপ্রিল-জুনের তুলনায় সর্বশেষ প্রান্তিকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯ দশমিক ৮৪ শতাংশ।

সৌদি আরব এখনো শীর্ষে

দেশভিত্তিক হিসাবে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় উৎস এখনো সৌদি আরব। এপ্রিল-জুন সময়ে দেশটি থেকে এসেছে ১৬৩ কোটি ৯৩ লাখ ৯০ হাজার ডলার, যা ওই প্রান্তিকে আসা মোট রেমিট্যান্সের ১৭ দশমিক ৪৭ শতাংশ।

জানুয়ারি-মার্চে সৌদি আরব থেকে এসেছিল ১৬৬ কোটি ৯৬ লাখ ৫০ হাজার ডলার। ফলে সর্বশেষ প্রান্তিকে প্রবাহ কমেছে ১ দশমিক ৮১ শতাংশ। তবে গত বছরের একই সময়ের তুলনায় সৌদি আরব থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৯ দশমিক ৭৫ শতাংশ।

শ্রমবাজারের দিক থেকেও সৌদি আরব বাংলাদেশের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এপ্রিল-জুন সময়ে বিদেশে যাওয়া ১ লাখ ৬০ হাজার ২৮৩ কর্মীর মধ্যে ৭৯ হাজার ৯১৬ জনের গন্তব্য ছিল সৌদি আরব।

যুক্তরাজ্যে রেমিট্যান্সে বড় উত্থান

দেশভিত্তিক তালিকায় দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে যুক্তরাজ্য। এপ্রিল-জুন সময়ে যুক্তরাজ্য থেকে দেশে এসেছে ১৫৫ কোটি ৮৭ লাখ ৪০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১৬ দশমিক ৬১ শতাংশ এসেছে এই বাজার থেকে।

সবচেয়ে বড় বিষয় হলো বার্ষিক প্রবৃদ্ধি। ২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ে যুক্তরাজ্য থেকে এসেছিল ১০০ কোটি ৩০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এক বছরের ব্যবধানে তা বেড়েছে ৫৫ দশমিক ৪০ শতাংশ।

শুধু বার্ষিক নয়, প্রান্তিক হিসাবেও যুক্তরাজ্যের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী। জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮ দশমিক ২৯ শতাংশ।

তৃতীয় অবস্থানে আমিরাত

সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ১১৭ কোটি ৬ লাখ ৭০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সের ১২ দশমিক ৫৩ শতাংশ এসেছে এই দেশ থেকে।

এক বছরের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ১২ দশমিক ২৩ শতাংশ। আর জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় বেড়েছে ১৬ দশমিক ২০ শতাংশ। ফলে আমিরাত থেকে রেমিট্যান্সে বার্ষিক ও প্রান্তিক—দুই হিসাবেই প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

যুক্তরাষ্ট্রে বার্ষিক প্রবৃদ্ধি, প্রান্তিকে পতন

যুক্তরাষ্ট্র থেকে সর্বশেষ প্রান্তিকে এসেছে ৮১ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার। মোট প্রবাহের ৮ দশমিক ৬৫ শতাংশ এসেছে দেশটি থেকে।

২০২৪-২৫ অর্থবছরের একই সময়ের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রের রেমিট্যান্স বেড়েছে ২ দশমিক ৩৬ শতাংশ। তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় এপ্রিল-জুনে প্রবাহ কমেছে ১১ দশমিক ৫০ শতাংশ।

অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্রের ক্ষেত্রে দীর্ঘমেয়াদি তুলনায় প্রবৃদ্ধি থাকলেও সর্বশেষ তিন মাসে আগের প্রান্তিকের তুলনায় কম অর্থ এসেছে।

মালয়েশিয়ায় বড় ধাক্কা

এশিয়ার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ শ্রমবাজার মালয়েশিয়া থেকে রেমিট্যান্সের চিত্র বিপরীতমুখী। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ৭০ কোটি ১২ লাখ ৩০ হাজার ডলার।

এক বছর আগে একই সময়ে মালয়েশিয়া থেকে এসেছিল ৯১ কোটি ১৬ লাখ ডলার। ফলে বার্ষিক হিসাবে প্রবাহ কমেছে ২২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

জানুয়ারি-মার্চে মালয়েশিয়া থেকে এসেছিল ৯৫ কোটি ১২ লাখ ৮০ হাজার ডলার। সেই তুলনায় এপ্রিল-জুনে প্রবাহ কমেছে ২৬ দশমিক ২৯ শতাংশ।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলেও কমেছে প্রবাহ

মালয়েশিয়ার পতনের প্রভাব পড়েছে এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে আসা মোট রেমিট্যান্সে। এপ্রিল-জুনে এ অঞ্চল থেকে এসেছে ১২০ কোটি ৬৭ লাখ ডলার, যা মোট প্রবাহের ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ।

গত বছরের একই সময়ের তুলনায় অঞ্চলটির রেমিট্যান্স কমেছে ৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর আগের প্রান্তিকের তুলনায় পতন হয়েছে ১৮ দশমিক ৫০ শতাংশ।

তবে এ অঞ্চলের সব বাজারে একই চিত্র নয়। সিঙ্গাপুর থেকে বরং উল্লেখযোগ্য প্রবৃদ্ধি হয়েছে।

সিঙ্গাপুরে প্রায় ২৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধি

এপ্রিল-জুনে সিঙ্গাপুর থেকে দেশে এসেছে ৪১ কোটি ১০ লাখ ৭০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ২৬ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় সামান্য কমেছে—প্রান্তিক হিসাবে পতনের হার ১ দশমিক ৭২ শতাংশ।

ইতালি ও ইউরোপের কয়েকটি বাজারে প্রবৃদ্ধি

ইতালি থেকেও রেমিট্যান্সের প্রবাহ বেড়েছে। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ৫১ কোটি ৮৭ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এক বছরের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ৯ দশমিক ৩৯ শতাংশ এবং আগের প্রান্তিকের তুলনায় বেড়েছে ২ দশমিক ৪৪ শতাংশ।

জার্মানির ক্ষেত্রে আবার ভিন্ন চিত্র। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ৩ কোটি ৯৩ লাখ ডলার। বার্ষিক হিসাবে প্রবাহ কমেছে ৬ দশমিক ১৮ শতাংশ। তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় রেমিট্যান্স বেড়েছে ৮ দশমিক ২৫ শতাংশ।

উপসাগরীয় বাজারে মিশ্র চিত্র

ওমান থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৫১ কোটি ৬৬ লাখ ৪০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় এটি ২ দশমিক ৯৩ শতাংশ বেশি। তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় প্রবাহ কমেছে ১১ দশমিক ২৩ শতাংশ।

কুয়েত থেকে এসেছে ৪৬ কোটি ১৪ লাখ ডলার। বার্ষিক প্রবৃদ্ধি হয়েছে ৯ দশমিক ৩৫ শতাংশ, যদিও প্রান্তিক হিসাবে কমেছে ৬ দশমিক ৯০ শতাংশ।

কাতার থেকে এসেছে ৪০ কোটি ২৮ লাখ ৭০ হাজার ডলার। এক বছরের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ১২ দশমিক ৭৪ শতাংশ, কিন্তু আগের প্রান্তিকের তুলনায় কমেছে ৩ দশমিক ১০ শতাংশ।

অন্যদিকে বাহরাইন থেকে রেমিট্যান্সে বড় পতন দেখা গেছে। এপ্রিল-জুনে দেশটি থেকে এসেছে ১৭ কোটি ২৬ লাখ ২০ হাজার ডলার, যা গত বছরের একই সময়ের তুলনায় ২৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ কম। তবে জানুয়ারি-মার্চের তুলনায় সামান্য ১ দশমিক ৩০ শতাংশ বেড়েছে।

অস্ট্রেলিয়ায় শক্তিশালী বার্ষিক প্রবৃদ্ধি

অস্ট্রেলিয়া থেকে এপ্রিল-জুনে এসেছে ৭ কোটি ৪৭ লাখ ১০ হাজার ডলার। গত বছরের একই সময়ের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ৪৫ দশমিক ৯৭ শতাংশ।

তবে আগের প্রান্তিকের তুলনায় দেশটি থেকে রেমিট্যান্স কমেছে ৪ দশমিক ১৭ শতাংশ।

জাপানে দুই সূচকেই পতন

জাপান থেকে সর্বশেষ প্রান্তিকে এসেছে ১ কোটি ৯৭ লাখ ডলার। এক বছরের ব্যবধানে রেমিট্যান্স কমেছে ১২ দশমিক ৩৯ শতাংশ।

জানুয়ারি-মার্চের তুলনায়ও প্রবাহ কমেছে ২১ দশমিক ৩৫ শতাংশ। ফলে জাপানের ক্ষেত্রে বার্ষিক ও প্রান্তিক—দুই তুলনাতেই পতন দেখা গেছে।

উপসাগরীয় দেশগুলোতেই প্রায় অর্ধেক রেমিট্যান্স

এপ্রিল-জুনে বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের সবচেয়ে বড় অংশ এসেছে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে। এই অঞ্চল থেকে এসেছে ৪৩৬ কোটি ৮৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা মোট রেমিট্যান্সের ৪৬ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে এসেছে ২১১ কোটি ৬৭ লাখ ৯০ হাজার ডলার, অর্থাৎ মোটের ২২ দশমিক ৫৬ শতাংশ।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে এসেছে ১২০ কোটি ৬৭ লাখ ডলার বা ১২ দশমিক ৮৬ শতাংশ। আর একক দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র থেকে এসেছে ৮১ কোটি ১৪ লাখ ২০ হাজার ডলার।

পুরো অর্থবছরে রেকর্ড ৩৫.৫৯ বিলিয়ন ডলার

২০২৫-২৬ অর্থবছরে বাংলাদেশে মোট রেমিট্যান্স এসেছে ৩৫৫৮ কোটি ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ডলার, যা প্রায় ৩৫ দশমিক ৫৯ বিলিয়ন ডলার। আগের অর্থবছরের তুলনায় প্রবাহ বেড়েছে ১৭ দশমিক ৩৫ শতাংশ।

পুরো অর্থবছরে উপসাগরীয় দেশগুলো থেকে এসেছে ১ হাজার ৬২৪ কোটি ৮ লাখ ২০ হাজার ডলার। মোট রেমিট্যান্সে এই অঞ্চলের অংশ ৪৫ দশমিক ৬৩ শতাংশ।

এর মধ্যে সৌদি আরব থেকে এসেছে ৫৮৪ কোটি ৯ লাখ ৫০ হাজার ডলার। সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৪২৪ কোটি ৭৫ লাখ ৬০ হাজার, ওমান থেকে ২০৪ কোটি ৮১ লাখ ৭০ হাজার, কুয়েত থেকে ১৭৬ কোটি ৩৭ লাখ ৮০ হাজার এবং কাতার থেকে ১৫৫ কোটি ৮৫ লাখ ৮০ হাজার ডলার এসেছে।

ইউরোপীয় ইউনিয়নভুক্ত দেশগুলো থেকে পুরো অর্থবছরে এসেছে ৭২৭ কোটি ৬৪ লাখ ৫০ হাজার ডলার। এর মধ্যে যুক্তরাজ্য থেকে এসেছে ৫০৭ কোটি ২০ লাখ ১০ হাজার এবং ইতালি থেকে ২০৫ কোটি ২১ লাখ ৬০ হাজার ডলার।

এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চল থেকে এসেছে ৫২৫ কোটি ৪৮ লাখ ডলার। এই অঞ্চলের মধ্যে মালয়েশিয়া থেকে এসেছে ৩৪০ কোটি ৩৬ লাখ ৭০ হাজার এবং সিঙ্গাপুর থেকে ১৪৯ কোটি ৩৯ লাখ ২০ হাজার ডলার। আর যুক্তরাষ্ট্র থেকে পুরো অর্থবছরে এসেছে ৩০১ কোটি ৩১ লাখ ৯০ হাজার ডলার।

বদলে যাচ্ছে রেমিট্যান্সের ভৌগোলিক চিত্র

বাংলাদেশের রেমিট্যান্সের মূল ভিত্তি এখনো উপসাগরীয় দেশগুলো। সৌদি আরব একক দেশ হিসেবে শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে এবং মধ্যপ্রাচ্যের বাজারগুলো সম্মিলিতভাবে মোট প্রবাহের প্রায় অর্ধেক জোগান দিচ্ছে।

তবে একই সঙ্গে ইউরোপের কয়েকটি দেশের গুরুত্ব বাড়ছে। বিশেষ করে যুক্তরাজ্য থেকে রেমিট্যান্সের দ্রুত বৃদ্ধি দেশটির অবস্থানকে আরও গুরুত্বপূর্ণ করে তুলেছে। ইতালি থেকেও ধারাবাহিক প্রবৃদ্ধি দেখা যাচ্ছে।

অন্যদিকে মালয়েশিয়ার মতো বড় শ্রমবাজারে প্রবাহের পতন এশিয়া-প্যাসিফিক অঞ্চলের সামগ্রিক পরিসংখ্যানে প্রভাব ফেলেছে। বাহরাইন ও জাপান থেকেও বার্ষিক হিসাবে কমেছে রেমিট্যান্স।

ফলে মোট রেমিট্যান্সের পরিমাণ বৃদ্ধির পাশাপাশি কোন বাজারে প্রবাহ বাড়ছে এবং কোন বাজারে কমছে—এই পরিবর্তনগুলোও বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রা প্রবাহের সামগ্রিক চিত্র বুঝতে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠছে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
প্রথমবারের মতো চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হলো রোবট

প্রথমবারের মতো চীনের বিশ্ববিদ্যালয়ে পিএইচডিতে ভর্তি হলো রোবট