ঢাকা | খ্রি.

জুলাই আন্দোলনে ৯ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি মিথ্যা, শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 31, 2026 ইং | Photo Card
জুলাই আন্দোলনে ৯ গুলিবিদ্ধ হওয়ার দাবি মিথ্যা, শেখ হাসিনাসহ ৮৪ জনকে অব্যাহতির সুপারিশ ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728
নিউজ বাংলা ডেস্ক : বিডিনিউজের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ২৯ সেপ্টেম্বর মোহাম্মদপুর থানার উপপরিদর্শক (এসআই) উক্যমং রাখাইন আদালতে তদন্ত প্রতিবেদনটি দাখিল করেন। তদন্ত কর্মকর্তা জানান, বাদী ভুয়া মেডিক্যাল সার্টিফিকেট ব্যবহার করে মামলাটি করেছেন। এ কারণে আসামিদের অব্যাহতির সুপারিশ করে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়েছে।

মামলার আট আসামিকে গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলেও তাঁরা এই মামলায় সরাসরি গ্রেপ্তার হননি। অন্য মামলায় কারাগারে থাকা অবস্থায় তাঁদের এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন করা হলে আদালত তা মঞ্জুর করেন।

বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আশরাফুল হকের আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন উপস্থাপন করা হয়। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই মিজানুর রহমান জানান, আদালত বাদীর প্রতি নোটিশ জারির নির্দেশ দিয়েছেন। এ বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ১ ডিসেম্বর দিন ধার্য করা হয়েছে।

অব্যাহতির সুপারিশ পাওয়া ব্যক্তিদের তালিকায় রয়েছেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের, সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য শাজাহান খান, ছাত্রলীগ নেতা রিয়াজ মাহমুদ ও সলিম উল্লাহ পাটোয়ারী। এ ছাড়া সাবেক কাউন্সিলর সলিমুল্লাহ সলু, মিলন হোসেন, মহিলা লীগ নেত্রী ইসরাত জাহান তামান্না ও স্বপ্না খন্দকারও রয়েছেন এ তালিকায়।

তদন্ত প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, মামলার সঙ্গে নূর হোসেন বাংলাদেশ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসাসংক্রান্ত কাগজপত্র জমা দিয়েছিলেন। তবে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের তথ্য যাচাই করে দেখা যায়, তিনি সেখানে কোনো চিকিৎসা নেননি। তাঁর জমা দেওয়া ব্যবস্থাপত্রের ধরনও হাসপাতালের প্রচলিত পদ্ধতির সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। এমনকি ক্যাশ মেমো ও রোগীর পরিচিতি নম্বর যাচাই করে অন্য ব্যক্তিদের তথ্য পাওয়া যায়।

এ ছাড়া জুলাই অভ্যুত্থানে আহত ব্যক্তিদের সরকারি গেজেটেও নূর হোসেনের নাম পাওয়া যায়নি। এসব তথ্যের ভিত্তিতে তাঁর আহত হওয়ার দাবি অসত্য এবং মামলার অভিযোগ প্রাথমিকভাবে মিথ্যা বলে প্রতীয়মান হয়েছে বলে তদন্ত প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

২০২৪ সালের ১ ডিসেম্বর মামলাটি করেন নূর হোসেন। তাঁর অভিযোগ ছিল, ওই বছরের ৪ আগস্ট মোহাম্মদপুরের ময়ূর ভিলা এলাকায় আন্দোলনে অংশ নেওয়ার সময় তিনি গুলিবিদ্ধ হন। তাঁর দাবি অনুযায়ী, পিঠে ছয়টি, বাঁ পায়ে দুটি এবং ডান পায়ে একটি—সব মিলিয়ে শরীরে নয়টি গুলি লাগে। পরে তাঁকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছিল বলেও মামলায় উল্লেখ করেন তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স