ঢাকা | খ্রি.

‘ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার অশনিসংকেত’

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 26, 2026 ইং | Photo Card
‘ভেরিফিকেশনের নামে বাদ দেওয়া রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার অশনিসংকেত’ ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদক

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক পদে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও ২৭ জেলার অন্তত ৭৭৮ জন প্রার্থী নিয়োগপত্র না পাওয়ার ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শুক্রবার (২৫ সেপ্টেম্বর) এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও অনেক প্রার্থীকে ভেরিফিকেশনের নামে নিয়োগ থেকে বাদ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। বিষয়টি অত্যন্ত গুরুতর এবং রাষ্ট্রীয় নিয়োগব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নিরপেক্ষতার জন্য অশনিসংকেত।

মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষাসহ নিয়োগের নির্ধারিত সব ধাপ অতিক্রম করে চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পর কোন আইনে, কোন মানদণ্ডে এবং কার সিদ্ধান্তে এসব প্রার্থীকে বাদ দেওয়া হলো—তা স্পষ্ট করা প্রয়োজন।

তিনি অভিযোগ করেন, অনেক প্রার্থী দাবি করেছেন, রাজনৈতিক পরিচয়, পারিবারিক পরিচয়, মতাদর্শ কিংবা সামাজিক অবস্থান বিবেচনায় চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত হওয়ার পরও তাদের নিয়োগ দেওয়া হয়নি। তার ভাষ্য, সরকারি চাকরি কোনো রাজনৈতিক দলের আনুগত্যের পুরস্কার নয়; রাজনৈতিক বা পারিবারিক পরিচয় মেধা ও যোগ্যতার বিকল্প হতে পারে না।

তিনি বলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিতদের মধ্যে কারা বাদ পড়েছেন, কেন বাদ পড়েছেন এবং কোন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তে বাদ পড়েছেন—তা জানার অধিকার সংশ্লিষ্ট প্রার্থীসহ জনগণের রয়েছে। ভেরিফিকেশনের নামে মেধাবী তরুণদের হয়রানি বা বঞ্চিত করা হলে এর দায় সরকারকে নিতে হবে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

জামায়াতের এই নেতা বলেন, বাংলাদেশের তরুণদের ভবিষ্যৎ নিয়ে কোনো ধরনের দলীয়করণ, বৈষম্য কিংবা গোপন সিদ্ধান্ত গ্রহণযোগ্য নয়।

তিনি সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে বলেন, অবিলম্বে নিয়োগপত্র না পাওয়া চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের পূর্ণাঙ্গ তালিকা প্রকাশ করতে হবে। একই সঙ্গে প্রত্যেক প্রার্থীর ক্ষেত্রে সিদ্ধান্তের সুনির্দিষ্ট কারণ জানানো এবং ভেরিফিকেশনের মানদণ্ড জনসমক্ষে স্পষ্ট করার দাবি জানান তিনি।

মিয়া গোলাম পরওয়ার আরও বলেন, চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত কোনো নিরপরাধ প্রার্থী অন্যায়ভাবে বঞ্চিত হয়ে থাকলে অবিলম্বে তার প্রতিকার নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি নিয়োগপ্রক্রিয়ায় অনিয়ম বা বৈষম্যের অভিযোগের নিরপেক্ষ তদন্ত করে দায়ীদের জবাবদিহির আওতায় আনতে হবে। অন্যায়ভাবে বাদ পড়া কোনো প্রার্থীর নিয়োগ নিশ্চিত করারও দাবি জানান তিনি।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
সর্বশেষ সংবাদ
ঝিনাইদহে চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের পা বিচ্ছ

ঝিনাইদহে চাচাতো ভাইয়ের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে যুবকের পা বিচ্ছ