ঢাকা | খ্রি.

লালমাইয়ে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, ৫১ জনের নামে মামলা

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Oct 6, 2026 ইং | Photo Card
লালমাইয়ে বিএনপির কার্যালয়ে ভাঙচুর-অগ্নিসংযোগ, ৫১ জনের নামে মামলা ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

কুমিল্লা প্রতিনিধি

কুমিল্লার লালমাই উপজেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয়ে ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় ৫১ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও ২০০ থেকে ২৫০ জনকে আসামি করে মামলা করা হয়েছে। দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা এ মামলার তদন্তভার দেওয়া হয়েছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনকে (পিবিআই)।

মামলার এজাহার ও বাদী বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়ন বিএনপির সাধারণ সম্পাদক মোহাম্মদ আলীর বরাতে জানা যায়, গত ৩০ সেপ্টেম্বর স্থানীয় সংসদ সদস্য মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সমর্থকরা বাগমারা বাজারে একটি বিক্ষোভ মিছিল বের করেন। মিছিল থেকে একদল লোক লালমাই উপজেলা বিএনপির একাংশের কার্যালয়ে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে। এ সময় কার্যালয়ে থাকা বিভিন্ন চেয়ার ও ফেস্টুনে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয় বলে এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে।

মামলার এজাহারে নাম থাকা আসামিদের সবাইকে স্থানীয় সংসদ সদস্যের অনুসারী হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। মামলায় কুমিল্লা দক্ষিণ জেলা যুবদলের সদস্য মানিক মিয়াকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। উপজেলা যুবদলের যুগ্ম আহ্বায়ক ইকবাল মজুমদারকে ২ নম্বর, আহ্বায়ক জাবের আহমেদকে ৫ নম্বর, যুগ্ম আহ্বায়ক শাহ আলমকে ৬ নম্বর, হাবিবুর রহমানকে ৭ নম্বর এবং মহিন উদ্দিনকে ৮ নম্বর আসামি করা হয়েছে।

মামলার উল্লেখযোগ্য অন্য আসামিদের মধ্যে রয়েছেন সৌরভ হোসেন রেপ, মো. কামাল হোসেন, সেরাজু হক ওরফে চারু, মো. সিদ্দিক মিয়া, মো. শরীফ, মো. শাহাজান, মো. সোহেল, মো. আহসান উল্যাহ, মো. আবুল কালাম, শম্ভু রায়, মো. বাবুল মিয়া, সদ্দাম হোসেন টিপু, মো. খোরশেদ আলম, মো. মাসুদ, মো. আল আমিন ওরফে অয়ন, মো. সোহাগ, মো. আরিফ মজুমদার, মো. এবায়েদ উল্যাহ, মো. সোলোমান, মো. কবির হোসেন, মো. রাজু আহাম্মেদ, হারুনুর রশিদ, মো. রবিউল হোসেন, মোজাম্মেল হক, আসাদুজ্জামান ওরফে রাসেল, মো. খালেদ মজুমদার, মো. মোশারফ হোসেন, ওসমান গনি রিংকু, রিয়াজ, সদ্দাম, জাকির হোসেন, মাহবুব আলম, মো. রফিকুল ইসলাম ওরফে সুয়া মেম্বার, মো. শামীম, মো. শিব্বির আহাম্মদ ও মো. শহীদুল ইসলামসহ আরও অনেকে।

তবে ভাঙচুরের অভিযোগ অস্বীকার করেছেন মামলার প্রধান আসামি মানিক মিয়া। তিনি বলেন, কার্যালয়টি কে বা কারা ভাঙচুর করেছে, তা তার জানা নেই। ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পৃক্ততা ছিল না। এরপরও তাকে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে মামলার প্রধান আসামি করা হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। তার দাবি, ওই কার্যালয়টি একজন যুবলীগ নেতার।

অন্যদিকে লালমাই উপজেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক ইউসুফ আলী মীর পিন্টু বলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্যের সমর্থকদের বিক্ষোভ মিছিল থেকে বিএনপি ও যুবদলের কয়েকজন নেতার নেতৃত্বে দলীয় কার্যালয়ে অতর্কিত হামলা চালানো হয়। তিনি বলেন, দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে মামলা দায়েরের পর এর তদন্তভার পিবিআইকে দেওয়া হয়েছে। নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত অপরাধীদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

মামলাটির তদন্তে পিবিআই কী ধরনের তথ্য-প্রমাণ সংগ্রহ করে এবং ঘটনায় কারা জড়িত ছিলেন, তদন্ত শেষ হলে তা স্পষ্ট হবে।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
তিন জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবনের শঙ্কা

তিন জেলার নিম্নাঞ্চলে সাময়িক প্লাবনের শঙ্কা