চ্যাটজিপিটি তাকে ক্লোরাইডের নিরাপদ বিকল্প হিসেবে সোডিয়াম ব্রোমাইড গ্রহণের পরামর্শ দেয়। এআই-এর এই পরামর্শে ভরসা করে তিনি তিন মাস ধরে নিয়মিত সোডিয়াম ব্রোমাইড সেবন করতে থাকেন। কিন্তু চ্যাটজিপিটি তাকে এর ক্ষতিকর দিক সম্পর্কে কোনো সতর্কবার্তা দেয়নি।
হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার পর ওই ব্যক্তির মধ্যে কিছু অস্বাভাবিক লক্ষণ দেখা যায়। তিনি প্রচণ্ড তৃষ্ণার্ত থাকা সত্ত্বেও পানি পান করতে পারছিলেন না এবং তার হ্যালুসিনেশন হচ্ছিল। প্রথমে চিকিৎসকরা ধারণা করেন, মানসিক অসুস্থতার কারণে তার এমন হচ্ছে। পরে অ্যান্টি-সাইকোটিক ওষুধ
ও ইন্ট্রাভেনাস ফ্লুইড দেওয়ার পর তার অবস্থা কিছুটা স্বাভাবিক হয়। তখন তিনি পুরো ঘটনাটি খুলে বলেন।
চিকিৎসকরা জানান, ব্রোমাইড সাধারণত উদ্বেগ ও অনিদ্রার চিকিৎসায় ব্যবহৃত হত। তবে এর স্বাস্থ্যঝুঁকির কারণে কয়েক দশক আগেই ওষুধ হিসেবে এর ব্যবহার বাতিল করা হয়েছে। বর্তমানে কিছু প্রাণীর ওষুধ ও শিল্পজাত পণ্যে এর ব্যবহার সীমিত।
দীর্ঘ তিন সপ্তাহ হাসপাতালে থাকার পর ওই ব্যক্তি সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন। এই ঘটনার পর সংশ্লিষ্ট চিকিৎসকরা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ব্যবহারের ক্ষেত্রে সকলকে সচেতন হওয়ার পরামর্শ দিয়েছেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল