এর আগে শুক্রবার (১১ সেপ্টেম্বর) রাত সোয়া ৯টার দিকে ১৩০ জন যাত্রী বহনকারী বাল্কহেডটি হার্ডিঞ্জ ব্রিজের কাছে পৌঁছালে প্রবল স্রোতে ব্রিজের চার নম্বর পিলারের সঙ্গে এর পেছনের অংশের ধাক্কা লাগে। এ সময় রকি, লিটন ও ওহাব নদীতে পড়ে যান। পরে লিটন ও ওহাবকে উদ্ধার করা সম্ভব হলেও রকি নিখোঁজ ছিলেন।
নৌকা ভ্রমণে অংশ নেওয়া যাত্রীরা জানান, ঝিনাইদহের শৈলকুপার কাতলা গাড়ি ঘাট থেকে ১৩০ জন ভ্রমণকারীর সঙ্গে তারা ভেড়ামারা উপজেলার সোলাইমান শাহ মাজারে বেড়াতে এসেছিলেন। বাল্কহেডটিতে মাঝিসহ আরও কয়েকজন ছিলেন। মাজার পরিদর্শন শেষে রাত সোয়া ৯টার দিকে তারা হার্ডিঞ্জ ব্রিজ এলাকায় পৌঁছান। তখন তীব্র স্রোতের কারণে বাল্কহেডের পেছনের অংশ ব্রিজের চার নম্বর পিলারে আঘাত করলে তিনজন নদীতে পড়ে যান।
ঘটনার খবর পেয়ে ঈশ্বরদী ফায়ার সার্ভিস, ভেড়ামারা ফায়ার সার্ভিস এবং নৌ পুলিশ উদ্ধার অভিযান শুরু করে। রকিকে উদ্ধারে নৌ পুলিশ ও ফায়ার সার্ভিসের পাশাপাশি বেশ কয়েকটি ইউনিট কাজ করে।
ভেড়ামারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাহেদুর রহমান জানান, রকিকে উদ্ধারের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ইউনিটের অভিযান চলছিল। রোববার সকালে দুর্ঘটনাস্থলের অদূরে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রের সামনে পদ্মা নদীতে তাঁর মরদেহ ভেসে ওঠে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল