মুহাম্মদ আলীর সঙ্গে দুইবারের লড়াইয়ের কারণেই বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি পরিচিতি পান চুভালো। ১৯৬৬ সালে টরন্টোর ম্যাপল লিফ গার্ডেনে প্রথমবার আলীর মুখোমুখি হন তিনি। ১৫ রাউন্ডের সেই লড়াইয়ে পরাজিত হলেও চুভালোর সাহস ও দৃঢ়তার প্রশংসা করেছিলেন আলী।
ছয় বছর পর আবারও আলীর বিপক্ষে রিংয়ে নামেন কানাডিয়ান এই বক্সার। দ্বিতীয় লড়াইটিও ১২ রাউন্ড শেষে পরাজয়ের মধ্য দিয়ে শেষ হয় চুভালোর জন্য।
১৯৫৬ থেকে ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত পেশাদার বক্সিং ক্যারিয়ারে চুভালো মোট ৯৩টি লড়াই করেছেন। এর মধ্যে ৭৩টিতে জয়, ১৮টিতে হার এবং দুটি লড়াই ড্র হয়েছে। তার ৭৩ জয়ের মধ্যে ৬৪টিই এসেছে নকআউটের মাধ্যমে।
কানাডার পাঁচবারের হেভিওয়েট চ্যাম্পিয়ন চুভালো ক্যারিয়ারে জো ফ্রেজিয়ার, জর্জ ফোরম্যান ও ফ্লয়েড প্যাটারসনের মতো বক্সিং কিংবদন্তিদের বিপক্ষেও লড়াই করেছেন।
তার মৃত্যুতে শোক জানিয়েছে বিশ্ব বক্সিং কাউন্সিল (ডব্লিউবিসি)। এক বিবৃতিতে সংগঠনটি বলেছে, ‘কানাডার সর্বকালের সেরা যোদ্ধা হিসেবে ব্যাপকভাবে পরিচিত চুভালো বক্সিংয়ে তার অমোচনীয় উত্তরাধিকার রেখে গেছেন; যা গড়ে উঠেছে তার অদম্য সাহস ও কিংবদন্তিতুল্য লোহার চোয়ালের ওপর। ডব্লিউবিসির সভাপতি মরিসিও সুলাইমান এই কঠিন সময়ে জর্জের পরিবার ও বন্ধুদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছেন ও প্রার্থনা করছেন।’
বক্সিংয়ে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতিও পেয়েছেন চুভালো। ১৯৯০ সালে তিনি কানাডার স্পোর্টস হল অব ফেমে এবং ১৯৯৭ সালে ওয়ার্ল্ড বক্সিং হল অব ফেমে জায়গা পান। এর পর ১৯৯৮ সালে তাকে দেওয়া হয় ‘অর্ডার অব কানাডা’ সম্মাননা।
নিউজ বাংলা চ্যানেল