গত বৃহস্পতিবার সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের পরিচালক মো. জাহিরুল ইসলাম খানের সই করা এক গণবিজ্ঞপ্তিতে এ নির্দেশনা জারি করা হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সম্প্রতি পরিদর্শনের সময় দেখা গেছে, বরাদ্দ পাওয়া কয়েকজন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারী তাঁদের বাসা বা ফ্ল্যাটের এক বা একাধিক কক্ষ অথবা পুরো বাসা অন্য ব্যক্তির কাছে ভাড়া কিংবা সাবলেট দিয়েছেন। এ ধরনের কার্যক্রম বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালা, ১৯৮২-এর পরিপন্থী।
যাঁরা ইতোমধ্যে বাসার কোনো অংশ বা সম্পূর্ণ বাসা অন্যের কাছে ভাড়া দিয়েছেন, তাঁদের নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভাড়াটিয়া বা সাবলেটগ্রহীতাকে সরিয়ে দিয়ে নিজে সেখানে বসবাস শুরু করতে বলা হয়েছে।
সরকারি আবাসন অধিদপ্তর জানিয়েছে, ৩১ অক্টোবরের পরও কোনো বাসা বা ফ্ল্যাট ভাড়া কিংবা সাবলেট দেওয়ার প্রমাণ পাওয়া গেলে বিধি অনুযায়ী কোনো নোটিশ ছাড়াই সংশ্লিষ্ট বরাদ্দ বাতিল করা হবে। পাশাপাশি দায়ীদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
গণবিজ্ঞপ্তিতে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, বাংলাদেশ বরাদ্দ বিধিমালার ১৪(৩) বিধি অনুসারে সংশ্লিষ্ট বরাদ্দগ্রহীতার দপ্তরপ্রধান ও নিয়োগকারী কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি অবহিত করা হবে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল