বিজিবি ও স্থানীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৭ অক্টোবর) দিবাগত রাত আনুমানিক ৩টার দিকে বুড়িমারী বামনদল সীমান্তের ৮৩৮/১ নম্বর মেইন পিলারসংলগ্ন এলাকা দিয়ে এ চেষ্টা চালানো হয়। রাতের অন্ধকারে বিএসএফ দুই শিশু, দুই নারী ও আট পুরুষসহ মোট ১৪ জনকে বাংলাদেশে পাঠানোর উদ্যোগ নেয়।
বিষয়টি বুঝতে পেরে সীমান্তে দায়িত্ব পালনরত বিজিবির টহল দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। সদস্যরা অবস্থান নিয়ে তাদের বাংলাদেশে প্রবেশে বাধা দেন। ফলে বিএসএফের পুশ ইনের চেষ্টা সফল হয়নি।
স্থানীয় সূত্রগুলো জানিয়েছে, বিজিবির বাধার পর ওই ১৪ জন সীমান্তের জিরো লাইন থেকে প্রায় ১০০ গজ ভারতের ভেতরে অবস্থান করছেন। নতুন করে অনুপ্রবেশের চেষ্টা ঠেকাতে সংশ্লিষ্ট এলাকায় টহল ও গোয়েন্দা নজরদারি বাড়িয়েছে বিজিবি। সম্ভাব্য অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি মোকাবিলায় সীমান্তরক্ষীরা সর্বোচ্চ সতর্কতা বজায় রাখছেন।
এদিকে, এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রোববার (১৮ অক্টোবর) সকালে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানিয়েছে বিজিবি। একই সঙ্গে ১৪ জনকে বাংলাদেশে ঠেলে দেওয়ার চেষ্টার কারণ ও উদ্দেশ্য জানতে চাওয়া হয়েছে। পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টি পরিষ্কার হবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন ৬১ বিজিবি তিস্তা ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মো. শাহিনুল ইসলাম শাহীন। তিনি বলেন, সীমান্ত দিয়ে ১৪ জনকে বাংলাদেশে পুশ ইনের চেষ্টা করা হয়েছিল। তবে বিজিবির সতর্ক টহল দলের বাধায় তা ব্যর্থ হয়েছে। এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিএসএফকে পতাকা বৈঠকের আহ্বান করা হয়েছে। বৈঠকের মাধ্যমে বিষয়টির সমাধানের চেষ্টা চলছে। সীমান্ত সুরক্ষিত রাখতে বিজিবির নজরদারি অব্যাহত রয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল