মাত্র ১০ জন শিক্ষার্থী নিয়ে এই কার্যক্রমের সূচনা হয়েছিল। বর্তমানে দুটি মসজিদে ১৬টি মজলিসে প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থী কোরআন শিক্ষায় অংশ নিচ্ছেন। এর মধ্যে প্রায় ২০০ জন গত ২৯ আগস্ট আয়োজিত একটি বিশেষ কোরআন প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। গত রমজানে এই কার্যক্রমে অংশগ্রহণকারীর সংখ্যা ছিল ৮৩ জন।
তবে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনার জন্য প্রয়োজনীয় কোরআন শরিফের সংকট এখনো কাটেনি। পর্যাপ্ত কপি না থাকায় অনেকেই পুরনো ও ছেঁড়া কোরআন ব্যবহার করে পড়াশোনা করছেন।
কোরআন শিক্ষার এই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে নানা প্রতিকূলতার মধ্য দিয়ে। তীব্র গরমের পাশাপাশি খাবার ও নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের সংকট রয়েছে। বাস্তুচ্যুত বহু মানুষ এখনো তাঁবুতে বসবাস করছেন; একই পরিস্থিতিতে দিন কাটছে অনেক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের।
যুদ্ধবিরতি কার্যকর হওয়ার পরও গাজার সামগ্রিক পরিস্থিতি পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। ধ্বংসস্তূপ, ক্ষুধা, কান্না, বাস্তুচ্যুতি ও অনিশ্চয়তার মধ্যে কয়েক শ শিশু-কিশোর ও তরুণের কণ্ঠে কোরআনের তিলাওয়াত তাই ব্যতিক্রমী এক দৃশ্য হয়ে উঠেছে।
মসজিদের অনেক দেয়াল নেই, পর্যাপ্ত কোরআনের কপিও নেই। নেই স্বাভাবিক পরিবেশে পড়াশোনার সুযোগও। কিন্তু এসব সংকটের মধ্যেও কোরআনের প্রতি শিক্ষার্থীদের ভালোবাসা অটুট রয়েছে।
গাজার এসব কোরআন শিক্ষার্থীর কার্যক্রম যেন প্রতিকূলতার মধ্যেও বিশ্বাস ও কোরআনের চর্চা অব্যাহত থাকারই প্রতিচ্ছবি।
নিউজ বাংলা চ্যানেল