স্থানীয় কমিউনিটি সংগঠক ও প্রতিনিধিদের ভাষ্য, গ্রেপ্তারের আশঙ্কায় বিপুলসংখ্যক অভিবাসী শ্রমিক কাজে আসছেন না। এতে ন্যাশনাল বিফ ও কারগিলের মতো বড় মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী প্রতিষ্ঠানের কারখানাগুলোতে স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হচ্ছে।
রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ডজ সিটি, লিবারেল ও গার্ডেন সিটির মতো লাতিনো-প্রধান শহরগুলোতে অভিযানের কারণে থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা অভিযোগ করেছেন, আইসিই এজেন্টরা রাস্তায় গাড়ি থামাচ্ছেন এবং প্রাথমিক বিদ্যালয় ও কারখানার আশপাশে অবস্থান নিয়ে অশ্বেতাঙ্গদের লক্ষ্যবস্তু বানাচ্ছেন।
এই পরিস্থিতিতে আতঙ্কে অনেক মানুষ ঘর থেকে বের হচ্ছেন না। ফলে স্থানীয় এলাকাগুলো অনেকটা ‘ভূতুড়ে শহরে’ পরিণত হয়েছে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
মার্কিন কৃষি বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, শ্রমিক সংকটের কারণে মাংস প্রক্রিয়াজাতকরণের হার এক সপ্তাহের ব্যবধানে প্রায় ১৪ থেকে ১৬ শতাংশ কমেছে। যুক্তরাষ্ট্রের দ্বিতীয় বৃহত্তম গরুর মাংস প্রক্রিয়াজাতকারী অঞ্চল কানসাস হওয়ায় এই ঘাটতি দেশটির বাজারে প্রভাব ফেলতে পারে। এর ফলে গরুর মাংসের রেকর্ড দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।
তবে কর্মক্ষেত্রে সরাসরি অভিযান চালানোর বিষয়টি অস্বীকার করেছেন মার্কিন স্বরাষ্ট্র নিরাপত্তাসচিব মার্কওয়েন মুলিন। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেওয়া এক পোস্টে তিনি দাবি করেন, অভিযানের লক্ষ্য ছিল খুনি, ধর্ষক ও অবৈধ অভিবাসীরা।
অন্যদিকে ন্যাশনাল বিফ কোম্পানি জানিয়েছে, তারা সরকারি সংস্থাগুলোর সঙ্গে আইনি নিয়ম মেনেই কাজ করছে। তবে চলমান অভিযানের সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতিষ্ঠানটি বিস্তারিত কোনো মন্তব্য করেনি।
নিউজ বাংলা চ্যানেল