আন্ত শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, পুনর্নিরীক্ষণের মাধ্যমে যেসব শিক্ষার্থীর ফল সংশোধিত হয়েছে, তাদের নতুন ফল একাদশ শ্রেণির ভর্তি আবেদনের পোর্টালে যুক্ত করা হয়েছে। আগে আবেদন না করা শিক্ষার্থীরা নতুন করে আবেদন করতে পারবে। আর যারা ইতোমধ্যে আবেদন করেছে, তারা নিজেদের আবেদন সংশোধন বা পরিমার্জন করতে পারবে।
এ ছাড়া গত ১০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে অনলাইনে আবেদন করতে ব্যর্থ হওয়া শিক্ষার্থীদেরও আজ রাত ৮টা পর্যন্ত নতুন করে আবেদন করার সুযোগ দেওয়া হয়েছে।
এর আগে ২ সেপ্টেম্বর একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হয়। এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে মেধাক্রম অনুসরণ করে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। এ প্রক্রিয়ায় কোনো ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে না। অনলাইন আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
ভর্তি নির্দেশিকা অনুযায়ী, একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ বা সমমানের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান পছন্দ করতে পারবে। আবেদনকারীরা আজ রাত ৮টা পর্যন্ত তাদের পছন্দক্রম পরিবর্তনের সুযোগ পাবে।
প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৬ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। নির্বাচিতদের ১৮ সেপ্টেম্বর রাত ৮টার মধ্যে ভর্তি নিশ্চয়ন সম্পন্ন করতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নিশ্চয়ন না করলে শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
পছন্দক্রমের ভিত্তিতে মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে। নতুন শিক্ষাবর্ষে ক্লাস শুরু হবে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে।
নীতিমালা অনুযায়ী, যে বছর এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হয়েছে, সেই বছর এবং তার আগের দুই বছরে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির আবেদন করতে পারবে। বিদেশি বোর্ড থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের মাধ্যমে সনদের সমমান নির্ধারণের পর আবেদন করার সুযোগ থাকবে।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের নীতিমালা অনুযায়ী, শিক্ষা বোর্ডের অনুমোদন ছাড়া কোনো প্রতিষ্ঠান ছাড়পত্র বা টিসি ইস্যু করতে কিংবা শিক্ষার্থী ভর্তি করতে পারবে না। অনুমোদনহীন শাখা বা বিষয়ে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হলে সংশ্লিষ্ট কলেজের পাঠদানের অনুমতি, স্বীকৃতি অথবা এমপিওভুক্তি বাতিল হতে পারে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল