স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে বাজারের একটি দোকান থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। অল্প সময়ের মধ্যেই আগুন পাশের দোকানগুলোতে ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা নিজেদের উদ্যোগে আগুন নেভানোর চেষ্টা করলেও দ্রুত তা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়।
খবর পেয়ে তাড়াশ ও রায়গঞ্জ ফায়ার সার্ভিসের দুইটি ইউনিট ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। দীর্ঘ চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে এলেও এরই মধ্যে সাতটি দোকান এবং দোকানগুলোর বিপুল পরিমাণ পণ্য পুড়ে যায়।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত দোকানগুলোর মধ্যে রয়েছে নিমগাছি গ্রামের সোলেমান তালুকদারের ওষুধের দোকান, চণ্ডিভোগ গ্রামের মো. হায়দার আলীর পান-সিগারেটের দোকান, একই গ্রামের দিগেন্দ্রনাথ সরকারের ফলের দোকান, সাধন কুমার সরকারের স্বর্ণকারের দোকান, ক্ষুদিরাম সরকারের ফলের দোকান, বিষমডাঙ্গা গ্রামের আতাউরের ফলের দোকান এবং পুল্লা গ্রামের আব্দুলার ফলের দোকান।
ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে গড়ে তোলা তাদের ব্যবসা চোখের সামনে আগুনে পুড়ে গেছে। তাদের অনেকেই ঋণ নিয়ে ব্যবসা চালিয়ে আসছিলেন। অগ্নিকাণ্ডের পর তারা বড় ধরনের আর্থিক সংকটে পড়েছেন। ক্ষতিগ্রস্তরা সরকারি সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ও সমাজের বিত্তবানদের কাছে আর্থিক সহায়তার আবেদন জানিয়েছেন।
অগ্নিকাণ্ডের তাৎক্ষণিক কারণ নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়ে থাকতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে। একই সঙ্গে ক্ষয়ক্ষতির বিষয়টিও তদন্ত করে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে ফায়ার সার্ভিস।
তাড়াশ ফায়ার সার্ভিসের ওয়্যারহাউজ ইন্সপেক্টর মুহাম্মদ মঞ্জুরুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রাথমিকভাবে বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকেই আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, অগ্নিকাণ্ডে সাতটি দোকানে প্রায় ৮ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল