অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন অর্থ ও পরিকল্পনামন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। বিশেষ অতিথি থাকবেন নৌ, সড়ক, সেতু এবং রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, দেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ক্রমবর্ধমান চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে চট্টগ্রাম বন্দরের সক্ষমতা বৃদ্ধি, কনটেইনার হ্যান্ডলিংয়ের গতি বাড়ানো এবং আন্তর্জাতিক মানের সেবা নিশ্চিত করতেই এই টার্মিনাল নির্মাণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
সরকারি-বেসরকারি অংশীদারি (পিপিপি) ভিত্তিতে প্রকল্পটি বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এতে মোট বিনিয়োগের পরিমাণ ৫৫০ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের বেশি। বাংলাদেশে পিপিপি খাতে এটি অন্যতম বৃহৎ বিনিয়োগ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
প্রকল্পের আওতায় কনটেইনার ইয়ার্ড, জেটি, গেট, আধুনিক কার্গো হ্যান্ডলিং ব্যবস্থা এবং প্রয়োজনীয় অন্যান্য অবকাঠামো গড়ে তোলা হবে। টার্মিনালটির বার্ষিক কনটেইনার হ্যান্ডলিং সক্ষমতা প্রায় ৮ লাখ টিইইউএস নির্ধারণ করা হয়েছে। এর জেটির দৈর্ঘ্য হবে প্রায় ৬১৫ মিটার।
টার্মিনালে সর্বাধুনিক প্রযুক্তির পাশাপাশি আধুনিক এসটিএস (শোর-টু-শিপ) ক্রেন ও উন্নত কার্গো হ্যান্ডলিং সরঞ্জাম স্থাপন করা হবে। সরকারের আশা, এসব সুবিধা চালু হলে চট্টগ্রাম বন্দরের কনটেইনার পরিবহন ও হ্যান্ডলিং সক্ষমতা বাড়বে এবং আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম আরও দ্রুত ও কার্যকর হবে।
নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের মতে, লালদিয়া কনটেইনার টার্মিনাল চট্টগ্রাম বন্দরের অবকাঠামোগত উন্নয়ন ও আধুনিক বন্দর ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে। পাশাপাশি দেশের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও লজিস্টিকস খাতের সক্ষমতা বাড়াতেও প্রকল্পটি অবদান রাখবে।
ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রতিনিধিসহ দেশি-বিদেশি সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান, ব্যবসায়ী নেতা ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত থাকবেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল