এ বছর ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ৯ জন শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ২৫ হাজার ১৮ জন। অন্যদিকে, সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট ১ লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ পরীক্ষার্থী জিপিএ-৫ পেয়েছে।
২০২৬ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল আজ সোমবার (১০ আগস্ট ২০২৬) সকাল ১০টার দিকে প্রকাশ করা হয়। একই সময়ে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও অনলাইনে ফল প্রকাশ করা হয়। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত অনুষ্ঠানে ফলাফল উদ্বোধন করেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহসনুল হক মিলন।
শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে শিক্ষা বোর্ডের প্রকাশিত ফলাফল eduboardresults.gov.bd এবং educationboardresults.gov.bd ওয়েবসাইট থেকে সংগ্রহ করতে হবে। পরীক্ষার্থীরাও এসব ওয়েবসাইটের পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল দেখতে পারবেন।
এ ছাড়া যেকোনো মুঠোফোন থেকে ১৬১৪০ অথবা ১৬২২২ নম্বরে এসএমএস পাঠিয়েও ফলাফল জানা যাবে। শিক্ষা বোর্ড, শিক্ষা মন্ত্রণালয় কিংবা সংবাদপত্রের কার্যালয় থেকে ফলাফল পাওয়া যাবে না।
এবার এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় অংশ নিতে মোট ১৮ লাখ ৫৭ হাজার ৩৪৪ শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করেছিল। এর মধ্যে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষায় ১৪ লাখ ১৮ হাজার ৩৯৮ জন, মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের দাখিলে ৩ লাখ ৪ হাজার ২৮৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষায় ১ লাখ ৩৪ হাজার ৬৬০ জন শিক্ষার্থী ফরম পূরণ করে।
চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা শুরু হয়েছিল ২১ এপ্রিল। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডগুলোর লিখিত পরীক্ষা শেষ হয় ২০ মে। অন্যদিকে দাখিল ও এসএসসি (ভোকেশনাল) পরীক্ষার লিখিত অংশ শেষ হয় ২৪ মে।
সাধারণ নিয়ম অনুযায়ী, লিখিত পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৬০ দিনের মধ্যে ফল প্রকাশ করা হয়। সে হিসাবে গত ২০ জুলাই ফল প্রকাশের কথা থাকলেও এবার নির্ধারিত সময়ের প্রায় তিন সপ্তাহ পর ফল প্রকাশ করা হয়েছে।
ফল প্রকাশের পর পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে ১১ থেকে ১৭ আগস্ট পর্যন্ত। এ সংক্রান্ত আবেদন প্রক্রিয়া ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা শিক্ষা বোর্ডগুলোর ওয়েবসাইটে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হবে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল