ঢাকা | খ্রি.

সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Aug 4, 2026 ইং | Photo Card
সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার করতে চায় সরকার: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিউজ বাংলা ডেস্ক : সার্বিক জনপ্রত্যাশা পূরণ এবং বাংলাদেশের নবযাত্রা ও রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের লক্ষ্যেই সমঝোতার ভিত্তিতে সংবিধান সংস্কার করতে চায় সরকার বলে জানিয়েছেন সংবিধান সংশোধন কমিটির সভাপতি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।

মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) জাতীয় সংসদ ভবনে সংবিধান সংশোধন কমিটির প্রথম বৈঠক শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বিরোধী দলগুলোর সঙ্গে আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরুর সিদ্ধান্ত হয়েছে। শিগগিরই আলোচনার দিন-তারিখ ও অংশগ্রহণকারীদের তালিকা নির্ধারণ করা হবে। বিরোধী দলগুলোর পক্ষ থেকে পাঁচটি নাম দেওয়ার কথা থাকলেও এখনো তা পাওয়া যায়নি। তারা বিষয়টি অনুধাবন করে দ্রুত নাম পাঠাবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

বিরোধী দলের প্রতিনিধিরা বৈঠকে উপস্থিত হয়ে মতামত দিলে তা যেমন স্বাগত জানানো হবে, তেমনি বৈঠকের বাইরে লিখিতভাবে দেওয়া পরামর্শও গুরুত্ব দিয়ে বিবেচনা করা হবে বলে জানান সালাহউদ্দিন আহমদ। এসব মতামত ও পরামর্শের ভিত্তিতে গ্রহণযোগ্য সংশোধনী প্রস্তাব এবং প্রতিবেদন তৈরির কথা বলেন তিনি।

সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে বড় কোনো চ্যালেঞ্জ রয়েছে কি না—সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, বিষয়টিকে তারা চ্যালেঞ্জ হিসেবে দেখছেন না; বরং জনগণের প্রত্যাশা হিসেবেই বিবেচনা করছেন।

তিনি বলেন, ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থান, শহীদদের রক্ত এবং জাতির বিশাল আকাঙ্ক্ষাকে ধারণ করে একটি শক্তিশালী গণতান্ত্রিক বাংলাদেশের ধারা তৈরিতে কমিটি কাজ করছে। সেই গণতান্ত্রিক ব্যবস্থাকে সংবিধানে ধারণ করাই সংস্কারের প্রথম পদক্ষেপ বলে উল্লেখ করেন তিনি।

সালাহউদ্দিন আহমদ আরও বলেন, সংবিধান সংস্কার নিয়ে শুধু রাজনীতিবিদদের সঙ্গেই নয়, সমাজের সর্বস্তরের মানুষ এবং বিভিন্ন পেশাজীবী সংগঠনের সঙ্গে পর্যায়ক্রমে আলোচনা করা হবে। তারা আগ্রহ প্রকাশ করলে সবার মতামত নেওয়া হবে।

এ কারণে আলোচনা-পর্ব শেষ করার জন্য এখনই নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা নির্ধারণ করা সম্ভব হচ্ছে না বলেও জানান তিনি।

সংবিধান সংস্কারের ক্ষেত্রে রাজনৈতিক সমঝোতার দলিল হিসেবে ‘জুলাই জাতীয় সনদ’-এ সংগৃহীত বিষয়গুলো বিবেচনায় নেওয়া হবে। যেসব বিষয়ে নোট অব ডিসেন্ট রয়েছে, সেগুলোকেও পর্যালোচনা করা হবে।

এর পাশাপাশি সরকারি দলের নিজস্ব নির্বাচনী ইশতেহারসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ও বিবেচনায় নিয়ে সর্বজনগ্রাহ্য একটি সংবিধান সংস্কারের পথেই কমিটি এগিয়ে যাচ্ছে বলে জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স