মৌসুমের প্রথম ম্যাচে হাল সিটির বিপক্ষে বাজে পারফরম্যান্সের পর সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন ফার্নান্দেজ। তবে ওল্ড ট্রাফোর্ডে ইপ্সউইচের বিপক্ষে তিন গোল ও একটি গোলে সহায়তা করে সমালোচকদের জবাব দিয়েছেন তিনি।
প্রিমিয়ার লিগে গোলের সংখ্যায় সাবেক ম্যানচেস্টার সিটি তারকা কেভিন ডি ব্রুইনাকেও ছাড়িয়ে গেছেন ফার্নান্দেজ। ডি ব্রুইনা ইংল্যান্ড ছাড়ার আগে প্রিমিয়ার লিগে করেছিলেন ৭২ গোল। ইপ্সউইচের বিপক্ষে হ্যাটট্রিকের পর ফার্নান্দেজের গোলসংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৪।
এটি প্রিমিয়ার লিগে তার দ্বিতীয় হ্যাটট্রিক। এর আগে ২০২১-২২ মৌসুমে লিডস ইউনাইটেডের বিপক্ষে প্রথমবার লিগে তিন গোল করেছিলেন তিনি। পাঁচ বছর পর আবারও ইংল্যান্ডের শীর্ষ লিগে এক ম্যাচে তিনবার জালের দেখা পেলেন ইউনাইটেড অধিনায়ক।
দুটি হ্যাটট্রিকের মধ্যে রয়েছে বেশ কিছু মিলও। ২০২১-২২ মৌসুমে লিডসের বিপক্ষে এবং ২০২৬-২৭ মৌসুমে ইপ্সউইচ টাউনের বিপক্ষে তার দুই হ্যাটট্রিকই এসেছে ওল্ড ট্রাফোর্ডে। দুটি ম্যাচই ছিল সংশ্লিষ্ট মৌসুমে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের ঘরের মাঠে প্রথম ম্যাচ।
সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের হয়ে এটি ব্রুনো ফার্নান্দেজের তৃতীয় হ্যাটট্রিক। দুটি এসেছে প্রিমিয়ার লিগে এবং একটি ইউরোপা লিগে। ইউনাইটেডের জার্সিতে ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোরও মোট তিনটি হ্যাটট্রিক রয়েছে। ফলে এই কীর্তিতে রোনালদোর সমকক্ষ হলেন ব্রুনো।
ইপ্সউইচের বিপক্ষে তিন গোলের পাশাপাশি ব্রায়ান এমবেউমোর একটি গোলেও সহায়তা করেন তিনি। ফলে ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের পাঁচ গোলের মধ্যে চারটিতেই ছিল ফার্নান্দেজের সরাসরি অবদান।
সদ্য প্রিমিয়ার লিগে উন্নীত হওয়া দলগুলোর বিপক্ষেও ফার্নান্দেজের পরিসংখ্যান বেশ সমৃদ্ধ। এমন প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে সর্বশেষ ১৫ ম্যাচে তিনি ৮ গোল ও ৯ অ্যাসিস্টসহ মোট ১৭টি গোলে অবদান রেখেছেন। ওল্ড ট্রাফোর্ডে সদ্য উন্নীত দলগুলোর বিপক্ষে সর্বশেষ ৯ ম্যাচে তার অবদান ১২ গোলে—৭ গোল ও ৫ অ্যাসিস্ট।
এ ছাড়া ২০২৫-২৬ মৌসুমে প্রিমিয়ার লিগে ২১টি অ্যাসিস্ট করে এক মৌসুমে সর্বোচ্চ গোলে সহায়তার রেকর্ড গড়েছিলেন ব্রুনো ফার্নান্দেজ। ইপ্সউইচের বিপক্ষে একটি অ্যাসিস্ট করে নতুন মৌসুমেও তার সৃষ্টিশীলতার ধারাবাহিকতা ধরে রেখেছেন এই পর্তুগিজ মিডফিল্ডার।
নিউজ বাংলা চ্যানেল