নিউজ বাংলা ডেস্ক: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) প্রশাসন জানিয়েছে, কয়েকজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে রাষ্ট্রবিরোধী কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ততার অভিযোগে আইনগত ও প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। একই সঙ্গে দেশের প্রচলিত আইন, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিধি-বিধান এবং বিচারিক প্রক্রিয়ার পরিপন্থী যেকোনো কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে ‘শূন্য সহনশীলতা’ নীতি অনুসরণের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে কর্তৃপক্ষ।
অন্যদিকে, জাতীয় সংসদে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বক্তা গণতন্ত্র, রাষ্ট্র সংস্কার এবং জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থান প্রসঙ্গে বক্তব্য দেন।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভারপ্রাপ্ত স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। অনুষ্ঠানে উপস্থিত অন্যান্য বক্তারা গণতান্ত্রিক সংস্কার, সংবিধানের গুরুত্ব এবং ভবিষ্যতে গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংস্কৃতি জোরদারের প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
এক বক্তা বলেন, দীর্ঘ সময়ের রাজনৈতিক আন্দোলন ও আত্মত্যাগের ধারাবাহিকতায় দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তন সম্ভব হয়েছে। তিনি জুলাইয়ের গণঅভ্যুত্থানে নিহত ও আহত ব্যক্তিদের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করাকে রাষ্ট্রের দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্ব হিসেবে উল্লেখ করেন। এ সময় তিনি এক দৃষ্টিশক্তি হারানো তরুণের পরিবারের অভিজ্ঞতার কথাও তুলে ধরেন।
ভারপ্রাপ্ত স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের ইতিহাসে ৫ আগস্ট একটি গুরুত্বপূর্ণ দিন হিসেবে বিবেচিত হবে। তিনি ভবিষ্যতে গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে ধৈর্য, সহনশীলতা এবং পরিশীলিত রাজনৈতিক সংস্কৃতি গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রকৃত সংস্কার মানুষের মনোজগতে শুরু হতে হবে। তাঁর মতে, রাষ্ট্র কাঠামোর গণতান্ত্রিক সংস্কারের ভিত্তি হওয়া উচিত সংবিধান।
চিফ হুইপ বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থান দেশের গণতন্ত্র পুনরুজ্জীবনের একটি সুযোগ সৃষ্টি করেছে। তিনি জুলাই আন্দোলনের নিহতদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান এবং অতীত সরকারের বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের সমালোচনা করেন।
অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের হুইপবৃন্দ, সংসদ সদস্য, বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল