ঢাকা | খ্রি.

সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের ‘কৌশলগত সম্পদ’ হতে পারে না: মোদি

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 2, 2026 ইং | Photo Card
সন্ত্রাসবাদ কোনো দেশের ‘কৌশলগত সম্পদ’ হতে পারে না: মোদি ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728
নিউজ বাংলা ডেস্ক : সন্ত্রাসবাদকে রাষ্ট্রীয় নীতির হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহারকারী দেশগুলোর বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। একই সঙ্গে সন্ত্রাসবাদের হুমকি মোকাবিলায় যেকোনো ধরনের ‘দ্বৈত নীতি’ পরিহারের ওপরও গুরুত্ব দিয়েছেন তিনি। মঙ্গলবার (১ সেপ্টেম্বর) সাংহাই সহযোগিতা সংস্থার (এসসিও) শীর্ষ সম্মেলনে দেওয়া ভাষণে এসব কথা বলেন মোদি।

ভারতের প্রধানমন্ত্রী বলেন, সন্ত্রাসবাদ এখন পুরো মানবতার জন্য গুরুতর হুমকি। কোনো দেশের জন্যই এটি কখনো ‘কৌশলগত সম্পদ’ হিসেবে বিবেচিত হতে পারে না।

পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরিফ, চীনের প্রেসিডেন্ট শি চিন পিংসহ এসসিওভুক্ত দেশগুলোর শীর্ষ নেতাদের উপস্থিতিতে মোদি সন্ত্রাসবাদের পুরো অবকাঠামো ধ্বংসের আহ্বান জানান। তার মতে, সন্ত্রাসীদের অর্থায়ন, নিয়োগ, উগ্রপন্থায় উদ্বুদ্ধ করা এবং নিরাপদ আশ্রয় দেওয়ার সঙ্গে যুক্ত পুরো নেটওয়ার্ককে সম্মিলিতভাবে ভেঙে দিতে হবে।

বিশ্বের বিভিন্ন অঞ্চলে চলমান উত্তেজনা ও সংঘাতের প্রসঙ্গ তুলে মোদি বলেন, কোনো সংঘাত বা সংকটের সমাধান যুদ্ধক্ষেত্রে সম্ভব নয়। তার মতে, শান্তি প্রতিষ্ঠার পথ হলো সংলাপ ও কূটনীতি।

তিনি আরও বলেন, বিভিন্ন সংঘাতের কারণে জ্বালানি নিরাপত্তা এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। এর সবচেয়ে বড় প্রভাব পড়ছে উন্নয়নশীল দেশগুলো তথা ‘গ্লোবাল সাউথ’-এর ওপর।

চীনের বিতর্কিত ‘বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভ’ (বিআরআই) প্রকল্পের বিষয়ে পরোক্ষ সমালোচনাও করেন মোদি। তিনি বলেন, আঞ্চলিক বাণিজ্য ও যোগাযোগ সম্প্রসারণের উদ্যোগ অবশ্যই ইতিবাচক। তবে কোনো প্রকল্পের অজুহাতে অন্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও ভূখণ্ডগত অখণ্ডতা ক্ষতিগ্রস্ত করা গ্রহণযোগ্য নয়।

সম্মেলনের শেষে গৃহীত যৌথ ‘বিশকেক ঘোষণাপত্রে’ সন্ত্রাসবাদের কঠোর নিন্দা জানানো হয়। একই সঙ্গে মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনা নিয়েও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করা হয়েছে। ঘোষণাপত্রে ইরানের সার্বভৌমত্বের ওপর সামরিক হামলার নিন্দা জানানো হয় এবং দেশটির সর্বোচ্চ নেতা খামেনির সাম্প্রতিক মৃত্যুতে শোক প্রকাশ করা হয়।

সদস্য দেশগুলো একমত হয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তি প্রতিষ্ঠার একমাত্র পথ হলো ফিলিস্তিন সমস্যার ন্যায়সংগত সমাধান এবং সংলাপের মাধ্যমে সংকটের অবসান ঘটানো।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স