মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) সূত্রে জানা গেছে, গত শুক্রবার (২১ আগস্ট) সকাল ১১টা থেকে টেলিটকের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে বদলি আবেদন গ্রহণ শুরু হয়। বদলি আবেদনের ওয়েবসাইট
আবেদনের সময় বাড়ানোর বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন মাউশি মহাপরিচালক অধ্যাপক ড. খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল। তিনি বলেন, দ্রুত বদলি কার্যক্রম শুরু করার জন্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনা রয়েছে। সেই নির্দেশনা অনুযায়ীই কাজ করছে মাউশি।
তবে বদলি নীতিমালায় একই স্তরের প্রতিষ্ঠানে বদলির ক্ষেত্রে থাকা শর্তের কারণে অনেক শিক্ষক আবেদন করতে পারছেন না বলে অভিযোগ রয়েছে। এ বিষয়ে মাউশি মহাপরিচালক বলেন, নীতিমালা অনুসারেই ভেন্ডর প্রতিষ্ঠান সফটওয়্যার তৈরি করেছে। ফলে যারা আবেদন করতে পারছেন না, তারা নীতিমালার নির্ধারিত শর্ত পূরণ করতে পারেননি। আপাতত নীতিমালা পরিবর্তনের সুযোগ নেই।
সফটওয়্যারটি এবারই প্রথমবারের মতো বদলি কার্যক্রমে ব্যবহৃত হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, এতে কিছু ভুলত্রুটি থাকতে পারে। সফটওয়্যার আপডেটের সুযোগ এবার নাও থাকতে পারে। তবে ভবিষ্যতে এসব সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করা হবে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) সন্ধ্যায় মাউশি বদলি কার্যক্রম শুরুর বিষয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। এতে স্বাক্ষর করেন মাউশির পরিচালক (মাধ্যমিক) অধ্যাপক মো. সাখাওয়াত হোসেন খান।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের স্কুল ও কলেজে কর্মরত এমপিওভুক্ত শিক্ষক, প্রতিষ্ঠান প্রধান, সহকারী প্রতিষ্ঠান প্রধান, প্রদর্শক ও ট্রেড ইনস্ট্রাক্টরসহ সব শিক্ষককে ২০২৬ সালের সংশোধিত এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলি নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যারের মাধ্যমে বদলি করা হবে। এ কাজে টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেড কারিগরি সহায়তা দিচ্ছে।
নীতিমালা অনুযায়ী, একজন শিক্ষক পছন্দের ক্রমানুসারে সর্বোচ্চ তিনটি প্রতিষ্ঠানে বদলির জন্য আবেদন করতে পারবেন। আবেদনগুলো স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যারের মাধ্যমে যাচাই করা হবে। এরপর কর্তৃপক্ষ বদলিভিত্তিক পদায়নের আদেশ জারি করবে।
বদলির ক্ষেত্রে শিক্ষককে প্রথমে তার চাকরির আবেদনে উল্লেখ করা নিজ জেলায় আবেদন করতে হবে। সেখানে উপযুক্ত পদ শূন্য না থাকলে নিজ বিভাগের যেকোনো জেলায় থাকা শূন্যপদের বিপরীতে আবেদন করার সুযোগ রয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল