এম এ মামুন :
তিনি আরো বলেন, বর্তমান সরকার ড. ইউনুস একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচন আশা করছে। বিগত সরকারে যারা ছিলেন তারা দুর্নীতি করেছেন। এবার যারা নির্বাচন করবেন তারা যেন এগুলো না করেন। তাহলে কল্যাণমূলক সরকার গঠন করতে পারবো। এ ধরণের দুর্নীতি অফিস লাগবে না।
গণশুনানীতে ৭৫ টি অভিযোগের শুনানি করেছে দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। জেলার ২৬ টি দফতরের অভিযোগ পড়ে দুদুকের কাছে। শুনানি শেষে ৩৩ টির সমাধান তাৎক্ষলিক করা হয়, ৭টি খারিজ করা হয় এবং ৩৫ টি জেলা প্রশাসন দেখবে বলে জানানে হয়।
গণশুনানীর আগে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দূর্নীতি দমন কমিশনের চেয়ারম্যান ড. মোহাম্মদ আবদুল মোমেন। বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন দর্নীতি দমন কমিশনের কমিশনার (তদন্ত) মিঞা মোহাম্মদ আলি আকবার আজিজী। গণশুনানীতে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন । সভায় দুদকের মহাপরিচালক আকতার হোসেন, খুলনা বিভাগীয় দুদকের পরিচালক জালাল উদ্দিন ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জামাল আল নাসের ঊক্তব্য রাখেন।
গণশুনানীতে চুয়াডাঙ্গার সকল সরকারি, আধা-সরকারি ও রাষ্ট্রায়ত্ত¡ প্রতিষ্ঠান, ব্যাংক কর্মকর্তারা, শিক্ষক ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল