সংগঠনটির তথ্য অনুযায়ী, বুধবার (৩ সেপ্টেম্বর) দিবাগত রাতে ওক্রিকার ওকারি জেটিতে একটি জাহাজে মালামাল তোলার সময় এ ঘটনা ঘটে। এ সময় সন্দেহভাজন তেলচোরেরা পাইপলাইন থেকে উচ্চচাপে পেট্রোলিয়ামজাত পণ্য নৌযানে সরিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করছিলেন। তখন পাইপলাইন থেকে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে পড়ে এবং তা শ্বাসের সঙ্গে গ্রহণ করে বহু মানুষ অসুস্থ ও প্রাণহানির শিকার হন।
ঘটনার পর থেকে বেশ কয়েকজন নিখোঁজ রয়েছেন বলেও জানিয়েছে সংগঠনটি। পাশাপাশি নদীতে কয়েকটি মরদেহ ভেসে থাকতে দেখা গেছে বলে দাবি করা হয়েছে। ২০২৩ সালের অক্টোবরের পর নাইজার ডেল্টা অঞ্চলে তেল চুরিকে ঘিরে এটিকে সবচেয়ে বড় প্রাণহানির ঘটনা হিসেবে উল্লেখ করেছে সংগঠনটি।
রিভার্স পুলিশের মুখপাত্র ব্লেসিং কাবোরলো আগাবে জানান, অপরিশোধিত তেল চুরির চেষ্টা চলার সময়ই ভুক্তভোগীদের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত চিত্র বের করতে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে বলেও জানান তিনি।
তবে নাইজেরিয়া নিরাপত্তা ও বেসামরিক প্রতিরক্ষা বাহিনী জানিয়েছে, হতাহতের যে সংখ্যা প্রচার করা হচ্ছে, তা এখনো সম্পূর্ণভাবে যাচাই করা হয়নি। ঘটনাটির পেছনে কোনো অপরাধমূলক যোগসাজশ কিংবা অবহেলা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখতে অন্যান্য নিরাপত্তা সংস্থার সঙ্গে সমন্বয় করে কাজ চলছে।
নাইজার ডেল্টা অঞ্চলে দীর্ঘদিন ধরেই অপরিশোধিত তেল চুরি ও পাইপলাইন ভাঙচুর বড় ধরনের সমস্যা। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ডে দেশটির তেলশিল্প ও অর্থনীতি ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণ এবং প্রাণহানির ঘটনাও ঘটছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল