শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের নীতিমালা অনুযায়ী, কোনো ভর্তি পরীক্ষা নেওয়া হবে না। এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই সম্পূর্ণ অনলাইনে শিক্ষার্থী ভর্তি করা হবে। আবেদন করতে একাদশে ভর্তির অফিশিয়াল ওয়েবসাইটে প্রবেশ করতে হবে। প্রাথমিক আবেদনের ফি নির্ধারণ করা হয়েছে ২২০ টাকা।
বাংলাদেশ আন্ত শিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক সৈয়দ আক্তারুজ্জামান বিষয়টি জানিয়েছেন।
নীতিমালা অনুযায়ী, একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির মোট আসনের ৭ শতাংশ কোটা সংরক্ষিত থাকবে। অবশিষ্ট ৯৩ শতাংশ আসন সবার জন্য মেধার ভিত্তিতে উন্মুক্ত থাকবে।
ভর্তির আবেদন গ্রহণ চলবে ২ থেকে ১০ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত। পুনর্নিরীক্ষণসহ পুনর্মূল্যায়নের পর যেসব শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তিত হবে, তাদের আবেদন নেওয়া হবে ১২ থেকে ১৩ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত। একই সময়ের মধ্যে শিক্ষার্থীরা নিজেদের পছন্দক্রমও পরিবর্তন করতে পারবেন।
নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফল প্রকাশ করা হবে ১৭ সেপ্টেম্বর রাত ৮টায়। ফল প্রকাশের পর ভর্তি নিশ্চায়নের জন্য নির্বাচিতদের ১৯ সেপ্টেম্বর রাত ৮টা পর্যন্ত সময় দেওয়া হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন সম্পন্ন না করলে সংশ্লিষ্ট শিক্ষার্থীর নির্বাচন ও আবেদন বাতিল হয়ে যাবে।
এরপর ২০ থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম চলবে। সব প্রক্রিয়া শেষে ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে।
এর আগে ২৪ আগস্ট শিক্ষা মন্ত্রণালয় ও শিক্ষা বোর্ড একাদশে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করেছিল।
নিউজ বাংলা চ্যানেল