পুলিশ জানিয়েছে, নিহত সোহেল নগরীর লবণচরা থানাধীন হরিণটানা অটোস্ট্যান্ড এলাকার লোকমান ও মৃত ফিরোজা বেগমের ছেলে।
পুলিশ ও হোটেল কর্তৃপক্ষের তথ্য অনুযায়ী, শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাত আনুমানিক ৯টার দিকে ফাতেমা ও সোহেল নিজেদের স্বামী-স্ত্রী পরিচয় দিয়ে কপোতাক্ষ হোটেলের ওই কক্ষে ওঠেন। সোমবার রাত আড়াইটার দিকে ফাতেমা কক্ষ থেকে বেরিয়ে হোটেলের কর্মীদের মালিককে ফোন করতে বলেন। পরে তিনি জানান, তার স্বামীকে হত্যা করা হয়েছে।
এরপর হোটেলের কর্মীরা কক্ষে গিয়ে মেঝেতে সোহেলের মরদেহ পড়ে থাকতে দেখেন। রাত ৩টা ৯ মিনিটে হোটেল কর্তৃপক্ষ জাতীয় জরুরি সেবা ৯৯৯-এ ফোন করে পুলিশকে ঘটনাটি জানায়।
খবর পেয়ে পুলিশ হোটেলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে এবং ফাতেমাকে হেফাজতে নেয়।
খুলনা থানার ওসি মো. লোকমান হোসেন বলেন, ‘কপোতাক্ষ হোটেল থেকে একটি মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ খুলনা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় নিয়মিত মামলা হবে। নিহতের কথিত স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তিনি হত্যার কথা স্বীকার করেছেন।’
নিউজ বাংলা চ্যানেল