সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটি এবং সাজেক কার্বারি অ্যাসোসিয়েশন যৌথভাবে এ অবরোধ কর্মসূচি পালন করছে। সড়কের বিভিন্ন স্থানে অবরোধের সমর্থনে পিকেটারদের উপস্থিতি দেখা না গেলেও গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা টহল দিচ্ছেন।
সাজেক গণ-অধিকার রক্ষা কমিটির আহ্বায়ক বাবুধন চাকমা জানিয়েছেন, দাবিগুলো পূরণ না হওয়া পর্যন্ত অবরোধ প্রত্যাহার করা হবে না। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতির (জেএসএস) সশস্ত্র সদস্যদের সাজেক থেকে সরিয়ে নেওয়া এবং স্থানীয় বাসিন্দাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাসহ তিনটি দাবি বাস্তবায়নের জন্য এ আন্দোলন চলছে।
আন্দোলনকারীদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, সাজেক এলাকা থেকে সন্তু লারমার নেতৃত্বাধীন জেএসএসের সশস্ত্র সদস্যদের অবিলম্বে অপসারণ, স্থানীয় পাহাড়ি জনগোষ্ঠীর নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এবং এলাকায় শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ও স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ফিরিয়ে আনতে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ।
অবরোধের প্রভাবে সাজেকের পর্যটনকেন্দ্র বন্ধ থাকায় এ খাতের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীদের মধ্যে অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। রাঙামাটি জেলা প্রশাসনের এক বিজ্ঞপ্তিতে গত ২২ অক্টোবর থেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য সাজেকে পর্যটকদের ভ্রমণ বন্ধ রাখার ঘোষণা দেওয়া হয়। এর ফলে নতুন করে পর্যটকদের যাতায়াত বন্ধ রয়েছে।
রাঙামাটির পুলিশ সুপার মুহম্মদ আব্দুর রকিব জানিয়েছেন, বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। সমস্যা সমাধানে আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’
নিউজ বাংলা চ্যানেল