বৃহস্পতিবার (২০ আগস্ট) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) অধ্যাপক ডা. জালাল উদ্দিন মোহাম্মদ রুমি স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এসব নির্দেশনা দেওয়া হয়।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, স্বাস্থ্যসেবা বিভাগে প্রধানমন্ত্রীর পরিদর্শনের সময় দেওয়া অনুশাসন বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনায় গত ১৬ আগস্ট স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়। ওই সভায় নেওয়া সিদ্ধান্তের ভিত্তিতেই এসব নির্দেশনা জারি করা হয়েছে।
নির্দেশনায় অধিদপ্তরের আওতাধীন সব স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান ও হাসপাতালে স্থাপিত বায়োমেট্রিক মেশিন সচল রাখার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের নিয়মিত বায়োমেট্রিক হাজিরা নিশ্চিত করতে হবে। ধাপে ধাপে বায়োমেট্রিক ফেস রিকগনিশন প্রযুক্তিও চালুর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের নিয়মিত কর্মস্থলে উপস্থিতির বিষয়টিকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে বিজ্ঞপ্তিতে। সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের আয়ন-ব্যয়ন কর্মকর্তাদের চিকিৎসক ও স্বাস্থ্যকর্মীদের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়ার পরই তাদের বেতন বিল দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এতে স্পষ্ট করে বলা হয়েছে, কোনো চিকিৎসক বা স্বাস্থ্যকর্মী কর্মস্থলে অনুপস্থিত থাকলে অনুপস্থিতির বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত ওই ব্যক্তির বেতন বিল ছাড় করা যাবে না।
এ ছাড়া স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অধীন সব হাসপাতাল ও স্বাস্থ্যসেবা প্রতিষ্ঠানকে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ই-হাজিরার সাপ্তাহিক প্রতিবেদন প্রস্তুত করে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) বরাবর পাঠাতে বলা হয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল