বুধবার গণমাধ্যমে পাঠানো এক বিবৃতিতে তিনি এ প্রতিক্রিয়া জানান। বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেন বিবৃতিটিতে স্বাক্ষর করেন।
বিবৃতিতে রিজভী অভিযোগ করেন, ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের একটি অংশ জেএফকে বিমানবন্দরে ড. ইউনূসের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে। তাঁর দাবি, ২০২৪ সালের জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পর অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব নেওয়ায় ইউনূসকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। তিনি ঘটনাটিকে ক্ষমতাচ্যুত শেখ হাসিনার প্রতিহিংসাপরায়ণ রাজনীতির বহিঃপ্রকাশ বলে উল্লেখ করেন।
রিজভী বিবৃতিতে আরও বলেন, আওয়ামী লীগের শাসনামলে দেশে গুম, খুন ও গুপ্তহত্যার মাধ্যমে অরাজক পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল। তাঁর অভিযোগ, ওই শাসনের সহযোগী দুষ্কৃতকারীরা দেশে-বিদেশে ছড়িয়ে পড়েছে এবং তাদেরই একটি অংশ ড. ইউনূসের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছে।
বিএনপির এই নেতা বলেন, বিদেশের মাটিতে ঘটে যাওয়া এ ঘটনা বাংলাদেশের মানুষের মধ্যে এই ধারণা আরও জোরালো করেছে যে ক্ষমতাচ্যুত হওয়ার দুই বছর পরও আওয়ামী লীগের দুর্বৃত্তসুলভ মনোভাব ও হিংসাত্মক আচরণে কোনো পরিবর্তন আসেনি।
বিবৃতিতে রিজভী আরও দাবি করেন, শেখ হাসিনার প্রতিহিংসার রাজনীতি এখনো অব্যাহত রয়েছে। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, শেখ হাসিনা দেশে ও বিদেশে তাঁর কর্মীদের উসকানি দিচ্ছেন এবং বাংলাদেশে বিভিন্ন ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডে মদদ দিচ্ছেন—এ বিষয়টি জনগণের কাছে ক্রমেই স্পষ্ট হচ্ছে।
জেএফকে বিমানবন্দরের ঘটনাটির নিন্দা জানিয়ে রুহুল কবীর রিজভী বলেন, ‘আওয়ামী দুষ্কৃতকারীদের কর্তৃক জেএফকে বিমানবন্দরে ড. মোহাম্মদ ইউনূসের প্রতি অসৌজন্যমূলক আচরণের ঘটনায় আমি ধিক্কার ও তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি।’
নিউজ বাংলা চ্যানেল