‘অ্যাক্সিওস’-এর প্রতিবেদনে দাবি করা হয়, মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের নির্ধারিত সময়সীমা অমান্য করে নিউইয়র্কে অবস্থান করায় দুই ইরানি কূটনীতিককে যুক্তরাষ্ট্র জোরপূর্বক ‘বের করে দিয়েছে’। এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাত দিয়ে প্রতিবেদনে বলা হয়, জাতিসংঘ অধিবেশন শেষ হওয়ার পরও ওই দুই প্রতিনিধি যুক্তরাষ্ট্রে অবস্থান করছিলেন। তাদের দ্রুত দেশ ছাড়ার বিষয়টি নিশ্চিত করতে পরে নতুন নির্দেশ দেওয়া হয়। এরপর তারা নিউইয়র্ক ত্যাগ করেন।
তবে মার্কিন সংবাদমাধ্যমের এই দাবি সরাসরি নাকচ করেছেন আরাঘচি। তিনি লিখেছেন, “ভুয়া কূটনৈতিক ‘বহিষ্কার’ নিয়ে কোনো কূটনৈতিক সংস্থার প্রধানের গর্ববোধ করা অনুচিত।”
এ ধরনের প্রতিবেদনকে মার্কিন প্রশাসনের হতাশা ও পরাজয়ের বহিঃপ্রকাশ হিসেবে উল্লেখ করে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আরও বলেন, জাতিসংঘের আয়োজক রাষ্ট্র হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র যে দায়িত্ব পালন করে, এ ধরনের আচরণ তার সঙ্গে পুরোপুরি অসামঞ্জস্যপূর্ণ।
যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে চলমান কূটনৈতিক উত্তেজনার মধ্যেই কূটনীতিকদের নিয়ে এমন পাল্টাপাল্টি বক্তব্য সামনে এলো। মধ্যপ্রাচ্যে নতুন করে সংঘাত ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা এবং যুদ্ধবিরতি প্রতিষ্ঠায় কূটনৈতিক উদ্যোগ বাধাগ্রস্ত হওয়ার প্রেক্ষাপটে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যকার বৈরিতার বিষয়টিও এতে আরও স্পষ্ট হয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল