প্রতিপক্ষ হাইতি ফিফা র্যাঙ্কিংয়ের ৮৫তম দল। এমন সীমিত সামর্থ্যের প্রতিপক্ষের বিপক্ষে ব্রাজিলের পারফর্ম্যান্স মোটেও ঝকঝকে ছিল না। দ্বিতীয়ার্ধে তো ব্রাজিল রীতিমতো খেলার গতি কমিয়ে দিয়েছিল। প্রথমার্ধে কুনিয়া দুই গোল এবং ভিনিসিয়ুস জুনিয়র গোল করার পর আনচেলোত্তির দল গোল বাড়ানোর চেয়ে শক্তি সঞ্চয় এবং সময় পার করার দিকেই বেশি মনোযোগী ছিল।
প্রথম ম্যাচে মরক্কোর সঙ্গে ড্র করার ফলে দলটির সঙ্গে পয়েন্ট সমান হয়ে যাওয়ার একটা সম্ভাবনা আছে ব্রাজিলের। সেটা যদি শেষ ম্যাচেও হয়ে যায়, তাহলে এই ম্যাচের দ্বিতীয়ার্ধে গোল করতে না পারাটা বড় বিপদে ফেলে দিতে পারে সেলেসাওদের। কারণ গ্রুপের অবস্থান যে তখন নিশ্চিত হবে গোল ব্যবধান হিসেবে!
কিন্তু একজন প্রকৃত নাম্বার নাইনের অভাব স্পষ্ট। এই বিশ্বকাপে জাত স্ট্রাইকারহীন দল এখন সাধারণ ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে, তবে ব্রাজিল সে পথে হাঁটতে গিয়ে তাদের দুর্বলতাই প্রকাশ করে দিচ্ছে। ভিনিসিয়ুস নিজেই একটা সহজ সুযোগ নষ্ট করেছেন। ৫৭ মিনিটে মার্কিনিওসের দুর্দান্ত লং পাস পেয়েও ভিনিসিয়ুস দ্রুত শট না নিয়ে বক্সের কিনারা দিয়ে ঘুরে ডান পায়ে কার্লার মারার চেষ্টা করেন এবং চতুর্থ গোলের সুযোগ নষ্ট করেন।
৩-০ গোলে জয় যেকোনো বিচারে স্বস্তির। তবে দলটির পারফরম্যান্স বলে দিচ্ছে, এই ব্রাজিল দলের এখনও অনেক উন্নতি করতে হবে। পুরনো সেলেসাও যুগের সেই ছন্দময় ফুটবল, সেই জোগো বনিতো এখনও অনেক দূরের পথ।
খবর যুগান্তর
নিউজ বাংলা চ্যানেল