ঢাকা | খ্রি.

দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট পেলেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী

  • নিউজ প্রকাশের তারিখ : Sep 10, 2026 ইং | Photo Card
দুর্নীতির তদন্ত রিপোর্ট পেলেই ব্যবস্থা: প্রধানমন্ত্রী ছবির ক্যাপশন: ছবি সংগৃহীত
ad728

নিজস্ব প্রতিবেদন

বিগত সরকারের বিভিন্ন উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন হাতে পাওয়ার পর সুপারিশ অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান।

বুধবার জাতীয় সংসদে স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত প্রশ্নোত্তর পর্বে সরকারি দলের সংসদ সদস্য মো. মোবাশ্বের আলম ভূঁইয়ার সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, বর্তমান সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পে কিছু অনিয়ম দৃষ্টিগোচর হয়েছে। সেসব প্রকল্প তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে। কয়েকটি প্রকল্পের তদন্তও মোটামুটি শেষ পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত প্রতিবেদন সরকারের হাতে এলে সংশ্লিষ্টদের পরামর্শ অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সরকারি উন্নয়ন প্রকল্পে বারবার মেয়াদ ও ব্যয় বাড়ার প্রবণতা ঠেকাতে বেশ কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, প্রকল্পের মেয়াদ ও ব্যয় বৃদ্ধির পেছনে সাধারণত একটি কারণ থাকে না। প্রকল্প প্রণয়ন, অনুমোদন, ভূমি অধিগ্রহণ, অর্থায়ন, ক্রয়প্রক্রিয়া ও ব্যবস্থাপনার একাধিক দুর্বলতা পরস্পরের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এ ধরনের পরিস্থিতির সৃষ্টি করে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, নতুন প্রকল্প গ্রহণের আগে নির্ভুল সম্ভাব্যতা সমীক্ষা নিশ্চিত করা এবং প্রকল্প অনুমোদনের পর বাস্তবায়ন প্রস্তুতি দ্রুত সম্পন্ন করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। প্রকল্প প্রণয়ন, প্রক্রিয়াকরণ, অনুমোদন ও সংশোধনসংক্রান্ত বিদ্যমান নির্দেশিকাও সময়োপযোগী করার কার্যক্রম চলছে।

চলমান প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যবেক্ষণে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগে ড্যাশবোর্ড স্থাপন করা হচ্ছে জানিয়ে তিনি বলেন, নিয়মিত প্রকল্প পর্যালোচনা ও মাঠপর্যায়ে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। ভূমি অধিগ্রহণ ও ইউটিলিটি স্থানান্তরের কাজ দ্রুত শেষ করতে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হচ্ছে।

নির্ধারিত সময়ে শেষ না হওয়া প্রকল্পগুলোর বিলম্ব, অনিয়ম, ব্যয় বৃদ্ধি ও সংশোধনের কারণ পর্যালোচনা করে দায়ী ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে বিধি অনুযায়ী ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলেও জানান প্রধানমন্ত্রী।

তিনি বলেন, যেসব প্রকল্পের বাস্তবায়ন অগ্রগতি ৩০ শতাংশের কম, সেগুলোর উপযোগিতা ও কার্যকারিতা বিবেচনা করে পুনর্বিন্যাস, পরিধি পরিবর্তন অথবা চলমান রাখার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও বিভাগকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে। বিচ্ছিন্নভাবে প্রকল্প গ্রহণ না করে সমন্বিত কর্মসূচির আওতায় গুচ্ছ প্রকল্প গ্রহণের নির্দেশনাও দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সরকারি ক্রয় ব্যবস্থায় ই-জিপির ব্যবহার আরও সম্প্রসারণ করা হচ্ছে।

১৫০ কূপ খনন, নতুন এলএনজি টার্মিনালের পরিকল্পনা

গ্যাস সরবরাহে দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে ২০৩০-৩১ সালের মধ্যে ১৫০টি কূপ খননের পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। একই সময়ে ৪ হাজার ৫০০ লাইন কিলোমিটার ২ডি এবং ৪ হাজার ২০০ বর্গকিলোমিটার ৩ডি সাইসমিক সার্ভে পরিচালনার পরিকল্পনাও রয়েছে।

সরকারি দলের সংসদ সদস্য সুলতানা আহমেদের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আকস্মিক বা সাময়িক গ্যাস সংকটের কারণে শিল্প খাত যাতে বড় ধরনের ক্ষতির মুখে না পড়ে, সে জন্য দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন বাড়ানোর পাশাপাশি নতুন এলএনজি টার্মিনাল স্থাপন ও গ্যাস অনুসন্ধানে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

সমুদ্রাঞ্চলের ২৬টি ব্লকে তেল ও গ্যাস অনুসন্ধান ও উত্তোলনের জন্য আন্তর্জাতিক প্রতিষ্ঠান নিয়োগে গত ২৪ মে আন্তর্জাতিক বিডিং রাউন্ড আহ্বান করা হয়েছে বলেও জানান তিনি। স্থলভাগে অনুসন্ধানে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য ‘বাংলাদেশ অনশোর মডেল পিএসসি-২০২৬’ প্রণয়নের কার্যক্রমও চলছে।

প্রধানমন্ত্রী জানান, বর্তমানে দেশে দুটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনালের মাধ্যমে দৈনিক গড়ে প্রায় ৯৩৫ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ সম্ভব হচ্ছে। মহেশখালীর কুতুবজোমে নতুন একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল এবং মাতারবাড়ীতে একটি ল্যান্ডবেইজড এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের কার্যক্রম চলছে। পরিকল্পনা অনুযায়ী কুতুবজোমের টার্মিনাল থেকে ২০২৮ সালে এবং মাতারবাড়ীর টার্মিনাল থেকে ২০৩০ সালের ডিসেম্বর নাগাদ রি-গ্যাসিফাইড এলএনজি সরবরাহ সম্ভব হবে।

এ ছাড়া পায়রা বা মোংলা বন্দর এলাকা অথবা দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের উপকূলীয় সুবিধাজনক স্থানে জরুরি ভিত্তিতে আরও একটি ভাসমান এলএনজি টার্মিনাল স্থাপনের সম্ভাব্যতা যাচাই চলছে।

ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহারের পরিকল্পনা

ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্যাস নেটওয়ার্কে যুক্ত করার প্রসঙ্গে প্রধানমন্ত্রী বলেন, পাইপলাইনের মাধ্যমে ভোলার গ্যাস জাতীয় গ্রিডে আনতে হলে অন্তত সাত বছর সময় লাগতে পারে। তাই আপাতত ভোলার গ্যাস স্থানীয়ভাবে ব্যবহার করে শিল্পকারখানা স্থাপনের পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে।

ভোলায় গ্যাসনির্ভর শিল্প স্থাপনের উদ্যোগের কথা জানিয়ে তিনি বলেন, এতে ওই অঞ্চলে কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি হবে এবং স্থানীয় অর্থনীতির আকার বাড়বে। গ্যাসের যথাযথ ব্যবহারের জন্য সেখানে একটি সার কারখানা এবং ৫০০ মেগাওয়াট ক্ষমতার একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র স্থাপনের পরিকল্পনাও রয়েছে।

চট্টগ্রাম-ঢাকা করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন

চট্টগ্রাম-ঢাকা রেল করিডোরে ইলেকট্রিক ট্রেন চালুর উদ্যোগের কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ সদস্য মোহাম্মদ এনামুল হকের তারকা চিহ্নিত প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ইলেকট্রিক ট্র্যাকশন স্থাপনের জন্য সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন প্রণয়নের কাজ ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় অর্থায়ন নিশ্চিত হওয়ার পর প্রকল্পের বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা ও সময়সূচি নির্ধারণ করা হবে।

ঢাকা থেকে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেলপথকে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইনে উন্নীত করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি। টঙ্গী-আখাউড়া এবং লাকসাম-চট্টগ্রাম অংশে ডুয়েলগেজ ডাবল লাইন নির্মাণের সম্ভাব্যতা সমীক্ষা ও বিশদ ডিজাইন শেষ হয়েছে। লাকসাম-চট্টগ্রাম প্রকল্পটি অনুমোদনের জন্য প্রক্রিয়াধীন এবং টঙ্গী-আখাউড়া প্রকল্পের ডিপিপি প্রণয়ন শেষ পর্যায়ে রয়েছে।

জনবান্ধব করতে মাঠ প্রশাসনে সংস্কার

মাঠ প্রশাসনকে আরও জনবান্ধব, স্বচ্ছ, দক্ষ, সেবামুখী ও জবাবদিহিমূলক করতে প্রয়োজনীয় সংস্কার ও আধুনিকায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

সংসদ সদস্য মো. নূরুল ইসলামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, সেবা সহজীকরণ, ডিজিটাল প্রযুক্তির ব্যবহার, কর্মসম্পাদন পরিবীক্ষণ, অভিযোগ গ্রহণ ও নিষ্পত্তি, পরিদর্শন ও তদারকি, গণশুনানি, তথ্য অধিকার আইন বাস্তবায়ন এবং নাগরিক সেবার মানোন্নয়নে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে।

পাঁচ বছরে সৌরচালিত পাম্প পাবেন কৃষক

আগামী পাঁচ বছরের মধ্যে সেচকাজে ডিজেলচালিত পানির পাম্পের পরিবর্তে কৃষকদের সৌরবিদ্যুৎচালিত পাম্প দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

মেহেরপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য তাজউদ্দীন খানের সম্পূরক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

এ সময় সৌরবিদ্যুতের স্টোরেজে লিথিয়াম ব্যাটারির ব্যবহার বাড়ানোর ওপর গুরুত্বারোপ করেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি বলেন, লেড ব্যাটারিতে অ্যাসিড ব্যবহারের কারণে পরিবেশের ক্ষতি হয়। তাই পরিবেশবান্ধব লিথিয়াম ব্যাটারিকে উৎসাহিত করতে চায় সরকার। দেশে লিথিয়াম ব্যাটারি উৎপাদনের কারখানা স্থাপিত হলে সরকার প্রয়োজনীয় সহযোগিতা করবে।

চট্টগ্রামের জলাবদ্ধতা নিরসনে একাধিক উদ্যোগ

চট্টগ্রাম নগরের জলাবদ্ধতা নিরসনে বিভিন্ন কার্যক্রমের অগ্রগতি তুলে ধরেছেন প্রধানমন্ত্রী। সংসদ সদস্য সরওয়ার জামাল নিজামের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বারইপাড়া খাল খনন প্রকল্পের কাজ শতভাগ সম্পন্ন হয়েছে।

এ ছাড়া নগরের ২৫টি খাল থেকে আবর্জনা ও মাটি অপসারণ এবং ১ হাজার ৬০০ কিলোমিটার সার্ভিস ড্রেন পরিষ্কারের কার্যক্রম চলছে। আগামী বর্ষার আগেই এসব কাজ শেষ করার লক্ষ্য রয়েছে। পাশাপাশি আরও ৩২টি খাল থেকে আবর্জনা ও মাটি অপসারণের কাজ চলছে।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের জলাবদ্ধতা নিরসন প্রকল্পের আওতাধীন ৩৬টি খালের রক্ষণাবেক্ষণে ডিপিপি প্রণয়নের কাজ চলছে। প্রকল্পের বাইরে আরও ২১টি খাল খনন ও রক্ষণাবেক্ষণের জন্যও ডিপিপি প্রণয়ন করা হচ্ছে।

পরিচ্ছন্ন বাংলাদেশ গড়তে শিক্ষার্থীদের এগিয়ে আসার আহ্বান

পরিবেশ রক্ষা, পরিচ্ছন্নতা নিশ্চিত করা এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের সক্রিয় ভূমিকা রাখার আহ্বান জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।

বুধবার বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে জাতীয় সংসদ ভবনে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের সামনে সানিডেল স্কুলের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি এ আহ্বান জানান। সংসদীয় কার্যক্রম সম্পর্কে ধারণা দেওয়া এবং অধিবেশন প্রত্যক্ষ করার সুযোগ দিতে শিক্ষার্থীরা জাতীয় সংসদে এসেছিল।

আসর নামাজের বিরতির সময় শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী। এ সময় তিনি তাদের পড়াশোনা ও স্বাস্থ্যসহ বিভিন্ন বিষয়ে খোঁজখবর নেন। পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা, জনস্বাস্থ্য এবং ডেঙ্গু প্রতিরোধে শিক্ষার্থীদের করণীয় নিয়েও আলোচনা করেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের পরিবেশ সুন্দর ও সবুজ করতে সরকার ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণের উদ্যোগ নিয়েছে। এ কর্মসূচিতে শিক্ষার্থীদেরও অংশ নেওয়া উচিত।

তিনি শিক্ষার্থীদের ছোট ছোট ভালো কাজে অংশ নেওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলেন, এসব কাজ সমাজ ও দেশের ইতিবাচক পরিবর্তনে ভূমিকা রাখবে।

পলিথিন বন্ধে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে কঠোর হওয়ার নির্দেশ

পলিথিন ও প্লাস্টিকের অনিয়ন্ত্রিত ব্যবহার বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে আরও কঠোর হওয়ার নির্দেশ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

বুধবার সকালে বাংলাদেশ সচিবালয়ে পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণবিষয়ক পর্যালোচনা সভায় তিনি এ নির্দেশ দেন। সভায় পরিবেশবান্ধব ব্লক ইটের ব্যবহার বৃদ্ধি, বায়ু-পানি-মাটি ও শব্দদূষণ নিয়ন্ত্রণ, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং পরিবেশ দূষণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের বিভিন্ন উদ্যোগের অগ্রগতি ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে আলোচনা হয়।

সভায় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী, প্রতিমন্ত্রী, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রশাসক এবং সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়, বিভাগ ও সংস্থার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।


নিউজটি পোস্ট করেছেন : নিউজ বাংলা চ্যানেল

কমেন্ট বক্স
স্মৃতির পাশে দাঁড়াবে বলে জেমাইমা বিবিএল ছেড়ে দিল, একেই বলে

স্মৃতির পাশে দাঁড়াবে বলে জেমাইমা বিবিএল ছেড়ে দিল, একেই বলে