প্রধানমন্ত্রী জানান, উদ্ধার ও ত্রাণ কার্যক্রমে নেপালের সেনাবাহিনী, পুলিশ এবং সশস্ত্র পুলিশ বাহিনীর ১৫ হাজার ৪৩১ সদস্য দায়িত্ব পালন করছেন। ভোতে কোশী ও ত্রিশুলি করিডোরসহ দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকাগুলোতে পরিচালিত অভিযানে এ পর্যন্ত মোট ৪ হাজার ৪৫১ জনকে উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধার হওয়াদের মধ্যে জলবিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুড়ঙ্গে আটকে পড়া ১৯১ জন শ্রমিকও রয়েছেন।
উদ্ধার অভিযানে বিমান বাহিনী ও বেসরকারি খাতের ১৬টি হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়েছে। এসব হেলিকপ্টারের মাধ্যমে মোট ৯৯টি সফল ফ্লাইট পরিচালনা করা হয়েছে।
এদিকে দুর্যোগে আটকা পড়া ১২৯ জন বিদেশি পর্যটককেও উদ্ধার করা হয়েছে। পরে তাদের পরিচয় শনাক্ত করা হয়।
দুর্যোগের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত যোগাযোগব্যবস্থা ও অবকাঠামো সচল করতে কাঠমান্ডু-মুগলিং মহাসড়ক চালু করা হয়েছে। পাশাপাশি যোগাযোগ স্বাভাবিক রাখতে বিকল্প পথও তৈরি করা হয়েছে। সাময়িক যোগাযোগব্যবস্থা নিশ্চিত করতে ভারত ও চীনের কাছে ১০টি বেলী সেতু চাওয়া হয়েছে।
দুর্যোগ মোকাবেলায় গঠিত ত্রাণ তহবিলেও দ্রুত অর্থ জমা পড়ছে। প্রধানমন্ত্রী শাহ জানান, তহবিল গঠনের ৩৬ ঘণ্টার মধ্যে এতে ১.৯ বিলিয়ন রুপি জমা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী ও মন্ত্রীরাও তাঁদের এক মাসের বেতন এই তহবিলে দিয়েছেন।
একই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্তদের জন্য চিকিৎসাসেবা, নিরাপদ পানি, খাবার ও প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী সরবরাহ নিশ্চিত করার কাজ চলছে। দ্রুত টেলিযোগাযোগ ও বিদ্যুৎ ব্যবস্থা পুনরায় চালু করতেও সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম জোরেশোরে এগিয়ে নেওয়া হচ্ছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল