অন্যদিকে, তিব্বতের গিয়িরং কাউন্টিতে কাদাধসের ঘটনায় নিখোঁজের সংখ্যা ৫৫৮ জনে দাঁড়িয়েছে। বৃহস্পতিবার সকালে চীনের রাষ্ট্রীয় সম্প্রচারমাধ্যম সিসিটিভি এ তথ্য জানিয়েছে। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিখোঁজ ব্যক্তিদের মধ্যে ২৬০ জন বিদেশি নাগরিক। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।
এত বিপুলসংখ্যক পর্যটক নেপাল-তিব্বত সীমান্তের ওই দুর্গম এলাকায় কেন ছিলেন, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। বিবিসি বাংলার প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বন্যাকবলিত অঞ্চলটি হিন্দু, বৌদ্ধ ও জৈন ধর্মাবলম্বীদের কাছে বিশেষ ধর্মীয় গুরুত্ব বহন করে। এর কারণ, এ অঞ্চলের সঙ্গে দুটি পবিত্র উচ্চভূমির হ্রদ জড়িত।
এর একটি তিব্বতের কৈলাস পর্বতের কাছে অবস্থিত মানস সরোবর। অন্যটি নেপালের রাসুয়া জেলার গোসাইকুণ্ড হ্রদ। প্রতিবছর নেপাল হয়ে কয়েক হাজার পর্যটক মানস সরোবরে ভ্রমণ করেন।
বিশেষ করে বছরের এই সময়ে ভারতীয় পর্যটকদের উপস্থিতি বাড়ে। তারা মানস সরোবর দর্শনের পাশাপাশি গোসাইকুণ্ডে পবিত্র স্নানের উদ্দেশ্যেও সেখানে যান।
আলপাইন কৈলাস ট্রেকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক প্রদীপ পাণ্ডিত বলেন, রুটটি পর্যটকদের কাছে অত্যন্ত জনপ্রিয়। তাঁর ভাষ্য অনুযায়ী, পূর্ণিমার সময়কে শুভ মনে করা হয়। এ কারণে সাধারণত এই সময়টিকেই পর্যটকেরা ওই এলাকায় ভ্রমণের জন্য বেছে নেন।
নিউজ বাংলা চ্যানেল