সাক্ষাৎকারে শ্রাবন্তী বলেন, ‘আমার জীবনে ‘প্রায়োরিটি’ খুব গুরুত্বপূর্ণ। তখন খুব ছোট ছিলাম, হয়তো অতো অল্প বয়সে বিয়ে করা একটা পাগলামি ছিল। কিন্তু আমি বিশ্বাস করি- সেটা আমার ভাগ্যে ছিল। কারণ সেই বিয়েটা না হলে হয়তো আমি আমার ছেলেকে পেতাম না।’তিনি আরও যোগ করেন, ‘ঝিনুককে আমি খুব ছোটবেলায় পেয়েছি। আমরা একসঙ্গে বড় হয়েছি। আমি তখনও বাচ্চা, ও তখন একদমই ছোট। ছেলেকে সময় দেওয়ার জন্য অনেক কিছু বাদ দিয়েছি, কিন্তু ওর সঙ্গে কাটানো সময়ই আমার জীবনের সেরা মুহূর্ত।’
মাত্র ১৬ বছর বয়সে বাড়ির অমতে টালিউড পরিচালক রাজীব কুমার বিশ্বাসকে বিয়ে করেন শ্রাবন্তী। পরের বছরই মা হন তিনি। জীবনের সেই প্রারম্ভিক অভিজ্ঞতা অভিনেত্রীর দৃষ্টিভঙ্গি বদলে দেয়- একদিকে পরিণত করে, অন্যদিকে জীবনের প্রতি কৃতজ্ঞতাও শেখায়।
‘চ্যাম্পিয়ন’ সিনেমার মাধ্যমে মাত্র দশম শ্রেণিতে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন শ্রাবন্তী। বক্স অফিসে সাফল্য পাওয়ার পরও তিনি নিজের ক্যারিয়ার থেকে কিছু সময় বিরতি নেন ছেলের জন্য। আজ তিনি একাই ছেলে ঝিনুককে বড় করছেন, আর সেই দায়িত্বকে তিনি নিজের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন হিসেবে দেখেন।
তিনবারের বিবাহবিচ্ছেদের পরও শ্রাবন্তী এখন ব্যস্ত অভিনয়ে ও নতুন প্রজন্মের অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করতে। ব্যক্তিগত জীবনের সব ঝড়ঝাপটা পেরিয়ে তিনি আজও বলেন, ‘আমার ছেলেকে ছাড়া আমি অসম্পূর্ণ। ওই আমার সবচেয়ে বড় শক্তি।’
খবর- সময়ের আলো
নিউজ বাংলা চ্যানেল