ঠাকুরগাঁও ব্যাটালিয়ন (৫০ বিজিবি) সূত্রে জানা গেছে, আসনটির আওতাধীন তিনটি উপজেলা, ২২টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় বিজিবি সদস্যদের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। এসব এলাকায় তাঁরা মোবাইল ও স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে কাজ করবেন।
নির্বাচনী নিরাপত্তা জোরদারে গোয়েন্দা নজরদারি বাড়ানোর পাশাপাশি বডি-ওর্ন ক্যামেরা ও ড্রোন ব্যবহার করা হচ্ছে। প্রেস ব্রিফিংয়ে জানানো হয়, ড্রোনের সাহায্যে গুরুত্বপূর্ণ স্থানগুলো পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
বিজিবি জানিয়েছে, ভোটাররা যেন নিরাপদ পরিবেশে কোনো বাধা ছাড়াই ভোট দিতে পারেন, তা নিশ্চিত করাই তাদের প্রধান লক্ষ্য। একই সঙ্গে সব প্রার্থীর জন্য সমান সুযোগ বজায় রাখা এবং নির্বাচনী আচরণবিধি যথাযথভাবে পালিত হচ্ছে কি না, সেদিকেও নজর রাখা হচ্ছে। নির্বাচনের সময় সম্ভাব্য বিশৃঙ্খলা, সহিংসতা এবং জননিরাপত্তার জন্য হুমকিস্বরূপ কর্মকাণ্ড ঠেকাতে বাহিনীর সদস্যরা সতর্ক অবস্থানে রয়েছেন।
এদিকে, সীমান্ত এলাকায় নজরদারি ও টহল আরও জোরদার করা হয়েছে। চোরাচালান, অবৈধভাবে সীমান্ত পারাপার এবং নির্বাচনকে ঘিরে সম্ভাব্য অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড প্রতিরোধেও কাজ করছে বিজিবি।
প্রেস ব্রিফিংয়ে আরও জানানো হয়, সংবিধান, প্রচলিত আইন এবং নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা মেনে সম্পূর্ণ নিরপেক্ষতা ও পেশাদারির সঙ্গে দায়িত্ব পালন করবে বিজিবি। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে স্থানীয় বাসিন্দা, রাজনৈতিক দলের নেতা, প্রার্থী, প্রশাসন, অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গণমাধ্যমকর্মীদের সহযোগিতাও চাওয়া হয়েছে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল