সরেজমিনে দেখা যায়, ফুটপাতের সীমানা ছাড়িয়ে মূল সড়কের ওপর তিন থেকে চার সারিতে দোকান ও অস্থায়ী ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান গড়ে তুলেছেন হকাররা। ফলে ১০০ ফিট প্রশস্ত সড়কটির বড় একটি অংশ দিয়ে স্বাভাবিকভাবে চলাচল করা যাচ্ছে না।
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৯০ ফুট জায়গা দখল হয়ে থাকায় কোনো কোনো স্থানে যানবাহন চলাচলের জন্য মাত্র ১০ ফুট জায়গা খোলা রয়েছে। এতে সড়ক দিয়ে যানবাহন চলাচলে বাধা সৃষ্টি হচ্ছে।
ব্যস্ত সময়ে সড়কের জায়গা দখল করে দোকান বসানোর কারণে যানবাহনের গতি কমে যায়। পাশাপাশি সড়কের দুই পাশে, গুরুত্বপূর্ণ প্রবেশপথ ও সংযোগস্থলের আশপাশে ব্যক্তিগত গাড়ি, অটোরিকশাসহ বিভিন্ন যানবাহনও যত্রতত্র পার্ক করে রাখতে দেখা যায়। হকারদের দখলের সঙ্গে অনিয়ন্ত্রিত পার্কিং যুক্ত হওয়ায় যান চলাচলের জায়গা আরও কমে যাচ্ছে। এতে অল্প দূরত্ব পাড়ি দিতেও স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি সময় লাগছে।
১০০ ফিট সড়কসংলগ্ন এলাকার বাসিন্দা মো. সিরাজ মিয়া বলেন, ফুটপাত দখল থাকায় মানুষের চলাচলে প্রতিদিনই দুর্ভোগ হচ্ছে। সকাল, দুপুর, বিকেল কিংবা সন্ধ্যা—সব সময়ই যানজট লেগে থাকে। তাঁর ভাষ্য, ফুটপাত দখল ও অবৈধ অটোরিকশার স্ট্যান্ডের কারণেই এ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
এ বিষয়ে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) ট্রাফিক গুলশান বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মো. তারেক জুবায়ের বলেন, ১০০ ফিট সড়ক দখল করে দোকান বসানোর বিষয়টি পুলিশের নজরদারিতে রয়েছে। বর্তমানে পূজার নিরাপত্তা নিয়ে সংশ্লিষ্টরা ব্যস্ত থাকায় অভিযান চালানো সম্ভব হচ্ছে না। পূজা শেষ হলে ক্রাইম ডিভিশনের সমন্বয়ে মোবাইল কোর্ট পরিচালনার মাধ্যমে পুরো সড়ক দখলমুক্ত করা হবে।
নিউজ বাংলা চ্যানেল