প্রধানমন্ত্রীকে সেখানে স্বাগত জানান বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত, কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ এবং জেলা প্রশাসক মো. আ. মান্নান। এ সময় তার সফরসঙ্গী হিসেবে ছিলেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ এবং জ্বালানিমন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব আতিকুর রহমান রুমন জানান, সফরের অংশ হিসেবে প্রধানমন্ত্রী মহেশখালীর মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর, কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প এবং মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করছেন।
প্রকল্প এলাকায় পৌঁছে প্রধানমন্ত্রী প্রথমে মাতারবাড়ী কয়লা বিদ্যুৎ প্রকল্প ঘুরে দেখেন। পরে প্রকল্পের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের নিয়ে একটি পর্যালোচনা বৈঠকে অংশ নেন।
কক্সবাজার-২ আসনের সংসদ সদস্য আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজউল্লাহ ফরিদ জানান, বৈঠক শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রী মাতারবাড়ী গভীর সমুদ্রবন্দর ও মহেশখালী সমন্বিত উন্নয়ন প্রকল্পের কার্যক্রম সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।
প্রধানমন্ত্রীর অতিরিক্ত প্রেসসচিব জানান, মহেশখালীর কর্মসূচি শেষে প্রধানমন্ত্রী সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বাঁশখালী ও হাটহাজারী এলাকায় যাবেন। সেখানে বন্যাদুর্গত পরিবারের সদস্যদের পুনর্বাসনের জন্য নির্মিত নতুন ঘরের চাবি হস্তান্তর করার কথা রয়েছে।
এর আগে সকাল ৮টা ৫০ মিনিটে গুলশানের বাসা থেকে তেজগাঁও বিমানবন্দরে পৌঁছান প্রধানমন্ত্রী। পরে সকাল ৯টা ১৫ মিনিটে হেলিকপ্টারে করে মহেশখালীর মাতারবাড়ীর উদ্দেশে রওনা দেন তিনি।
নিউজ বাংলা চ্যানেল