চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড দমনে রাজনৈতিক পরিচয় কিংবা প্রভাবের ঊর্ধ্বে উঠে অপরাধীদের বিরুদ্ধে নিরপেক্ষ ও কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন নেতৃদ্বয়। তাঁদের মতে, অপরাধীর রাজনৈতিক পরিচয় নয়, বরং সংঘটিত অপরাধের ভিত্তিতেই আইন প্রয়োগ নিশ্চিত করতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা গোষ্ঠী রাজনৈতিক পরিচয়কে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে অপরাধ করলে তাদেরও আইনের আওতায় আনতে হবে।
নেতৃদ্বয় বলেন, চাঁদাবাজি শুধু একটি ফৌজদারি অপরাধ নয়, এটি দেশের ব্যবসা-বাণিজ্য, বিনিয়োগ পরিবেশ ও সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলে। এ ধরনের অপরাধ অব্যাহত থাকলে জনমনে নিরাপত্তাহীনতা বাড়ে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর মানুষের আস্থা ক্ষুণ্ন হয়। তাই চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের পাশাপাশি অপরাধীদের কোনোভাবেই ছাড় না দেওয়ার আহ্বান জানান তাঁরা।
তাঁরা আরও বলেন, জননিরাপত্তা নিশ্চিত করতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পেশাদারত্ব, জবাবদিহি ও মাঠপর্যায়ে তৎপরতা বাড়ানো জরুরি। চিহ্নিত চাঁদাবাজ ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে নিয়মিত অভিযান পরিচালনা, গুরুত্বপূর্ণ জনসমাগমস্থলে নিরাপত্তা জোরদার এবং অভিযোগ পাওয়ার পর দ্রুত তদন্ত ও আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। একই সঙ্গে অপরাধ দমনের নামে কোনো নিরপরাধ ব্যক্তি যাতে হয়রানি, অন্যায় আচরণ কিংবা প্রতিহিংসার শিকার না হন, তা নিশ্চিত করার ওপরও গুরুত্বারোপ করেন তাঁরা।
নেতৃদ্বয় আশা প্রকাশ করেন, আইনের নিরপেক্ষ প্রয়োগ, অপরাধীদের জবাবদিহির আওতায় আনা এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কার্যকর ভূমিকার মাধ্যমে জননিরাপত্তা নিশ্চিত করা সম্ভব হবে। এ জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দল-মত ও প্রভাবমুক্ত থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহ্বান জানান তাঁরা।
নিউজ বাংলা চ্যানেল